প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একটি চরিত্রকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অভিনেতাদের অনেক সময় কঠিন শারীরিক প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কখনো খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হয়, কখনো ওজন কমানো বা বাড়ানো প্রয়োজন হয়। দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা এমনই একটি কঠিন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।
২০২২ সালের ‘লিগার’ সিনেমায় এমএমএ যোদ্ধার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিজয় কঠোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। নিজেকে পেশিবহুল ও ছিপছিপে করে তুলতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তিনি পানি পানও কমিয়ে দিয়েছিলেন।
বিজয় সাধারণত দিনে প্রায় চার থেকে ছয় লিটার পানি পান করেন। কিন্তু ‘লিগার’-এর চরিত্রের জন্য শুটিংয়ের আগে ধাপে ধাপে সেই পরিমাণ কমাতে হয়েছিল তাকে। একপর্যায়ে দিনে মাত্র ১০০ মিলিলিটার পানি পান করতেন। এমনকি শুটিংয়ের আগে টানা প্রায় ১০ ঘণ্টা পানি না খেয়েও থাকতে হতো।
তীব্র তৃষ্ণার সময় বিজয় কী করতেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পানি পান করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত মুখে বরফের টুকরো রেখে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করতেন। তবে বিজয় স্বীকার করেছেন যে, এই প্রক্রিয়া মোটেই সহজ ছিল না এবং স্বাস্থ্যকরও নয়।
শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে শুটিংয়ের সময় পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠত। তিনি চার ঘণ্টার শুটিং শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকতেন। কখন শুটিং শেষ হবে এবং কখন পানি পান করতে পারবেন—এটাই ছিল তার প্রধান চিন্তা।
এ কারণে শুটিং শেষ হওয়ার আগেই বিজয় নিজের দলের সদস্যদের ডাবের পানি প্রস্তুত রাখতে বলতেন। শুটিং শেষ হওয়ার পর তিনি একসঙ্গে প্রায় চার লিটার ডাবের পানি পান করতেন।
অভিনেতা আরো জানান, শুটিংয়ের আড়াই ঘণ্টা পার হলেই কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য তিনি দলকে তাগাদা দিতে শুরু করতেন। কারণ তখন তার একমাত্র অপেক্ষা ছিল শুটিং শেষ করে পানি পান করা।
‘লিগার’-এ এমএমএ যোদ্ধার চরিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি এই সিনেমার মাধ্যমে বিজয় দেবেরাকোন্ডার হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিষেক ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন