প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় আগামী ১৪৪৮ হিজরি (২০২৬-২৭) ওমরাহ মৌসুমের জন্য অনুমোদিত ১২৮টি ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে।
এবং এই সাথে এসব এজেন্সির জন্য নির্ধারিত বেশ কিছু বাধ্যতামূলক শর্তও প্রকাশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ এর মাধ্যমে এই সম্পর্কিত একটি সার্কুলার দেশের সমস্ত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠানো হয়।
আরও জানানো হয়েছে, সার্কুলারে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (ওমরাহ) কর্তৃক স্বাক্ষরিত ২১ জুলাইয়ের চিঠির নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
তালিকাভুক্ত ১২৮টি এজেন্সি নির্ধারিত শর্ত মেনে বাংলাদেশ থেকে ওমরাহযাত্রী সৌদি আরবে পাঠাতে পারবে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে জানিয়েছে, জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি এবং হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২২ (সংশোধিত) অনুসারে সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
ওমরাহযাত্রীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে পাঠানো, তারা যে প্রতিশ্রুত সেবা পাবে তা নিশ্চিত করা এবং যাত্রীদের সময়মতো দেশে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট এজেন্সির।
এছাড়া জানানো হয়েছে, ১৪৪৮ হিজরিতে পাঠানো সব ওমরাহযাত্রীর সৌদি আরব গমন ও দেশে ফেরার বিস্তারিত প্রতিবেদন পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-৩ (ওমরাহ) শাখায় জমা দিতে হবে।
নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে পরবর্তী বছরের অনুমোদিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং বিধিমালা অনুযায়ী উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
জানা গেছে, ওমরাহযাত্রীদের জন্য সরকার নির্ধারিত এক হাজার জনের কোটার বেশি পাঠানো যাবে না।
প্রত্যেকটি ওমরাহ এজেন্সির জন্য একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে এবং সেই হিসাবের তথ্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
যাত্রীদের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করতে হবে এবং সেই চুক্তি অনুযায়ী সকল সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
ওমরাহযাত্রী পাঠানোর পূর্বে নির্ধারিত ফরম-৬ অনুযায়ী যাত্রীদের তথ্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসে জমা দিতে হবে।
সরকারের অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত যাত্রী পাঠানো হলে তা অনিয়ম ও অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে।
ওমরাহ-সংক্রান্ত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সরকারের সকল নির্দেশনা মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওমরাহ প্যাকেজ, প্রসেসিং ফি এবং অন্যান্য সেবার ব্যয় স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে।
যদি কোনো ওমরাহযাত্রী নির্ধারিত সময়ে দেশে ফিরে না আসে, তবে তার ফেরার নির্ধারিত তারিখের এক মাসের মধ্যে যাত্রীর নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর এবং দেশে ফিরতে না পারার কারণ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসে লিখিতভাবে জানাতে হবে।
অন্যথায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অতএব, তালিকা প্রকাশের পর যদি কোনো এজেন্সির দেয়া তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হয়, তবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সেই এজেন্সির অনুমোদন বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন