প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
৯৬ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় চিহ্নিত আসামিদের গ্রেফতার না হওয়ায় রাজশাহীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আসামিরা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি ও মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ তুলে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
সোমবার সকাল ১১টায় রাজশাহীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল, রাজশাহী মহানগর শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাঈদ আলী।
বক্তারা বিস্তারিত অভিযোগ করেন যে, গত ২ আগস্ট শাহমখদুম থানা এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ফটোসাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আবির হোসেন, তাঁর পরিবার এবং দৈনিক গণকণ্ঠের মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি ও রাজশাহী রিপোর্টার্স ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন সম্রাটের ওপর হামলা চালানো হয়।
হামলার চার দিন পেরিয়ে গেলেও চিহ্নিত প্রধান আসামিদের গ্রেফতার না হওয়ায় বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অভিযোগ করা হয় যে, হামলাকারীরা জামিনে বের হয়ে ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির চেষ্টা করছে।
মানববন্ধনে আবির হোসেনের মা আফরোজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে হামলার বর্ণনা দিয়ে বলেন, হামলায় তাঁর পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যামামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারেরও দাবি জানান।
সমাবেশে মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শ্যামল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা রাজশাহী বিভাগীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক সুরুজ আলীসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা হামলার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই সুভাস জানান, আসামীদের গ্রেফতারে নিয়মিত অভিযান চলছে। তবে অভিযুক্তরা পালিয়ে থাকায় তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না।
শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কবির হোসেন জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব তাদের গ্রেফতার করা হবে।
এদিকে, একাধিক স্থানীয়রা বলেন, আসামী দিনে বাড়িতে ঘুমায় এবং এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে। পুলিশ এলাকায় তেমন একটা আসে না। তাছাড়া সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতার কাছে যারা আসামি, তাদের তারা এড়িয়ে চলছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন