প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে হামলার ঝুঁকি বিদ্যমান। তবে, সংশ্লিষ্ট শিপিং কোম্পানিগুলো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ ব্যবহার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়নি। বরং, তারা কিছু ক্ষতি মেনে নিয়েই তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। কারণ, তারা কোনোভাবেই একটি নির্দিষ্ট দেশের চাপিয়ে দেওয়া নতুন আঞ্চলিক আধিপত্যকে মেনে নিতে প্রস্তুত নয়।
এই বিষয়ে সাবেক মার্কিন দূত জোয়ি হুড আল জাজিরাকে জানিয়েছেন। তিনি মূলত হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনার প্রসঙ্গে কথা বলছিলেন।
জোয়ি হুড শিপিং কোম্পানিগুলোর চিন্তাভাবনার বিষয়ে বলেন, "তারা সব জাহাজে আঘাত করতে পারবে না।" তাই, মাঝে মাঝে ব্যবসায়ীরা দু-একটি জাহাজ হারানোর ঝুঁকি নিয়ে নৌ চলাচল অব্যাহত রাখছে।
এই সাবেক কূটনীতিক আরও জানান, ওই অঞ্চলে দীর্ঘদিন থাকার পর বিমানবাহী রণতরীগুলোর টহল স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে এসেছে। সাধারণত সারাবিশ্বে ১০ বা ১১টি মার্কিন রণতরী মোতায়েন থাকে এবং এগুলো প্রতি ছয় মাস পর পর বদল করা হয়।
তবে, ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটেছিল। গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ শুরু করায় এর টহল সময়সীমা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক মাস বৃদ্ধি পায়।
জোয়ি হুড আরও জানান, রণতরীগুলো স্বাভাবিক টহলে ফিরে এলেও ইরানের ওপর মূল চাপ অব্যাহত থাকবে। কারণ, নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাগুলো মার্কিন সরকার প্রায় বিনা খরচে অনির্দিষ্টকালের জন্য চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে। গত ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে এই নিষেধাজ্ঞাগুলো কার্যকর রয়েছে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এগুলো আরও বিস্তৃত ও কঠোর হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন