প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ প্রকল্পের আওতায় কলকাতায় প্রায় ৩১ কোটি রুপি মূল্যের ৩ লাখ ১০ হাজার ফেনসিডিলের বোতল ধ্বংস করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্ক চত্বরে রোড রোলার চালিয়ে ফেনসিডিলগুলো ধ্বংস করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্য পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এবং পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) সহ বিভিন্ন সংস্থার অভিযানের মাধ্যমে এসব ফেনসিডিল জব্দ করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট এই ধ্বংস কার্যক্রমের আয়োজন করে ‘নেশামুক্ত ভারত-২০২৯’ কর্মসূচির আওতায়।
কলকাতার নিউটাউনের ইকোপার্কে ‘নেশামুক্তি’ কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অংশগ্রহণ করেন। সেখানে কলকাতা পুলিশের জব্দ করা ৩ লাখ ১০ হাজার বোতল নিষিদ্ধ কফ সিরাপ রাখা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই রোড রোলারের চালকের আসনে বসে সেগুলো ধ্বংস করেন।
এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে প্রায় ২ লাখ বোতল ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ছিল ২০ কোটি রুপি। সেখানেও সুকান্ত মজুমদারকে সঙ্গে নিয়ে বালুরঘাট পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে রোড রোলার চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ফেনসিডিল ধ্বংস করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ‘পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপের ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না।’ তিনি সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রাখার কথা বলেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করা এবং রাজ্যকে মাদকমুক্ত করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘এটি নেশামুক্তি অভিযানের দ্বিতীয় বড় কর্মসূচি। কেন্দ্রের নেশামুক্ত ভারত অভিযান পশ্চিমবঙ্গের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি দাবি করেন, মাদকের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কারণে নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবৈধ মাদকের কারণে অনেক পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মাদকমুক্তির বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অভিযানে বিএসএফ ও পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে। এর আগে বালুরঘাটেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছে।’
শুভেন্দু বলেন, ‘কলকাতায় এই অভিযানের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ যৌথভাবে প্রতিদিন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।’ পুলিশ কর্মকর্তা জাভেদ শামিমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইয়াবা উদ্ধারের ক্ষেত্রেও বড় সাফল্য এসেছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন