প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাহিদ রানা ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে সক্ষম। বাংলাদেশের এই গতিশীল পেসারকে দীর্ঘ সময় ধরে সার্ভিস পাওয়ার জন্য এখনই তাঁর শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ক্যারিবীয় ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ। তিনি সতর্ক করেছেন যে, তাৎক্ষণিক সাফল্যের আশায় যেন ‘সোনার ডিম পাড়া হাঁসটিকে’ মেরে ফেলা না হয়।
বিশপের অভিমত, চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাহায্যে নাহিদকে যত্নে রাখতে হবে, যাতে সময়ের সাথে সাথে তাঁর শরীর পেস বোলিংয়ের কঠিন চাপ সহ্য করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের অভিজ্ঞতার প্রতি তাঁর আস্থা রয়েছে। বিশপ সিমন্সকে নিজের বড় ভাইয়ের মতো উল্লেখ করে বলেন, তিনি অত্যন্ত চমৎকার একজন কোচ এবং বিষয়টি ভালোভাবে উপলব্ধি করবেন।
নিজের ক্যারিয়ারে একাধিক স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের অভিজ্ঞতা থেকে বিশপ জানেন পেস বোলিং কতটা কঠিন। তাঁর মতে, কিছু খেলোয়াড়ের শরীরে চোটের প্রবণতা অন্যদের তুলনায় বেশি থাকে। সুতরাং, নাহিদের ফিটনেস এবং কন্ডিশনিং ট্রেনারদের সতর্ক থাকতে হবে। যথাযথ অনুশীলনের মাধ্যমে তাঁর শরীরকে চোট প্রতিরোধে সক্ষম করে তুলতে হবে। একই সঙ্গে মেডিকেল দলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
এ ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের উদাহরণ দেন বিশপ। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় মিচেল স্টার্ক, চোট কাটিয়ে ফেরা প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডরা নিজেদের ভালোভাবে সামলেছেন। ফলে ৩৩, ৩৫, ৩৬, এমনকি ৩৭ বছর বয়সেও তাঁরা দুর্দান্ত বোলিং করছেন। স্কট বোল্যান্ডের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
চোটের কারণে নাহিদ সম্প্রতি কিছু সিরিজের পাশাপাশি চলমান ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজেও নেই। বিশপের বার্তা পরিষ্কার, এই মুহূর্তের সাফল্যের চেয়ে নাহিদের দীর্ঘমেয়াদি ক্যারিয়ার অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন