প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, কৃষির আধুনিকীকরণ এবং যান্ত্রিক বিপ্লবে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়।
গতকাল বুধবার রাতের অনুষ্ঠানটি নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিনি যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
ডেপুটি স্পিকার আরও উল্লেখ করেন, আমাদের দেশের শতকরা ৮০ ভাগের বেশি জনগণ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ‘ভাতে মাছে বাঙালি’ প্রবাদটি টিকিয়ে রাখতে ধানের ফলন বাড়ানোর বিকল্প কিছু নেই।
তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষিত যুবসমাজ কৃষিকাজে আগ্রহ হারাচ্ছে। আধুনিক প্যান্ট-শার্ট পরা তরুণদের কৃষিতে আকৃষ্ট করতে হলে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ ও আধুনিকীকরণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, যন্ত্রের মাধ্যমে ৪০ সেকেন্ডে চার সারি চারা রোপণ হচ্ছে, তাও নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে। এটি ফলন বৃদ্ধিতে ম্যাজিকের মতো করবে।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথম কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। আমরা বিদেশ থেকে চাল আমদানি নয়, বরং ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড বা মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে চাই।
কৃষক কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতার বিষয়েও কঠোর হুঁশিয়ারি দেন ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ প্রকৃত ভূমিহীন, হতদরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের অধিকার। কোনো অবস্থাতেই সচ্ছল ব্যক্তি বা কর্মকর্তাদের আত্মীয়-স্বজনদের নামে এই কার্ডগুলো ইস্যু করা যাবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন