প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফ্রান্সের চলমান ছাত্র-বিক্ষোভ এবং সামাজিক অস্থিরতার প্রভাব এখন প্রতিবেশী দেশ জার্মানিতেও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থী নেতৃত্বাধীন একটি আন্দোলন আগামী ৩১ অক্টোবর জার্মানির প্রধান প্রধান শহরগুলোতে বড় ধরনের গণবিক্ষোভের ডাক দিয়েছে, যা ফ্রান্সের আদলে অনুষ্ঠিত হবে।
জার্মানির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও ডয়েচে ভেলে (DW)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির প্রায় ২১টি শহরে একযোগে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী বার্লিন, কোলন, হামবুর্গ এবং মিউনিখের মতো বড় শহরগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আয়োজক এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা, এসব কর্মসূচিতে হাজার হাজার তরুণ ও শিক্ষার্থী অংশ নেবেন।
বিক্ষোভের মূল কারণ ও দাবিদাওয়া
তরুণদের এই আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থার বেহাল দশা, অর্থসংকট (অস্টারটি), জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়বৃদ্ধি, সামাজিক বৈষম্য, সামরিক বাধ্যতামূলক সেবা (কনস্ক্রিপশন) এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত নীতি। অংশগ্রহণকারী তরুণদের অভিযোগ, নীতিনির্ধারকরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণের চেয়ে ধনী ও অভিজাতদের স্বার্থ রক্ষায় বেশি ব্যস্ত।
সহিংসতার আশঙ্কা ও আয়োজকদের অবস্থান
এদিকে জার্মানিতে ফরাসি ধাঁচের বিক্ষোভের ডাক দেওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী মহলে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অতীতে ফ্রান্সে চলা বিক্ষোভের সময় কিছু জায়গায় ব্যাপক ভাঙচুর, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল।
তবে জার্মানির আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা কোনো ধরনের সহিংসতার পক্ষে নন এবং ফ্রান্সে দেখা দেওয়া সহিংসতা থেকে তারা সম্পূর্ণ দূরত্ব বজায় রাখবেন। তা সত্ত্বেও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, উগ্রপন্থী বা সুযোগসন্ধানী কোনো গোষ্ঠী বিক্ষোভের ভেতরে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়াতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জার্মান পুলিশও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় কঠোর অবস্থানে থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সূত্র: ডয়েচে ভেলে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন