প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। দেশটিতে বিদ্যুতের সামগ্রিক ঘাটতি ৪ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি হয়ে গেছে। একই সঙ্গে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার কারণে ডিজেলের সংকটও দেখা দিয়েছে দেশটিতে।
এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) সূত্রে জানা যায়, দেশটির সংবাদমাধ্যম এআরওয়াই নিউজের বরাতে, কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট বন্ধ থাকার পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের হ্রাসের ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদ্যুৎ ঘাটতি বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানগুলো (ডিসকো) লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বাড়িয়েছে। শহর ও গ্রাম উভয় এলাকার গ্রাহকদের দিনে তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে। কিছু কিছু এলাকায় হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রাখার সময়সীমা বেড়ে গেছে।
রাজধানী লাহোরে পরিস্থিতি সবচেয়ে কঠিন হয়ে উঠেছে। শহরটির বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াটে পৌঁছালেও সরবরাহ রয়েছে মাত্র ৩ হাজার মেগাওয়াট। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে একটি বড় ব্যবধান সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে লাহোরে ডিজেলের সংকটও দেখা দিয়েছে বলে সূত্র জানাচ্ছে। এই কারণে শহরটির সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ফিডারের সামগ্রিক কারিগরি ও বাণিজ্যিক (এটিসি) ক্ষতির ভিত্তিতে লোডশেডিং করার কারণে কে-ইলেকট্রিকের (কেই) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ন্যাশনাল ইলেকট্রিক পাওয়ার রেগুলেটরি অথরিটি (নেপরা)। সংস্থাটি এ ধরনের লোডশেডিংকে অবৈধ ঘোষণা করে এটিসি ক্ষতির ভিত্তিতে অনির্ধারিত বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা অবিলম্বে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধকারী গ্রাহকদের ফিডারে ক্ষতির হার বেশি থাকার কারণে তাদের বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না বলেও জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
নেপরা আরও বলেছে, বিদ্যুৎ চুরি বা অন্য গ্রাহকদের অনিয়মের কারণে নিয়মিত বিল পরিশোধকারীদের শাস্তি দেওয়া উচিত নয়। বিদ্যুৎ চুরিতে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে পুরো ফিডারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন