প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মৌজা মূল্যের পরিবর্তে প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণের জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ এবং অপ্রদর্শিত বা কালো টাকা সৃষ্টি রোধের উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
নতুন এই ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়নের জন্য বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা—এই তিন স্তরে বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আগামী চার মাসের মধ্যে তাদের নিজ নিজ এলাকার জমি, আবাসিক প্লট, ফ্ল্যাট এবং অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করতে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি কয়েকটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে। ইতিমধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার সুপারিশ অনুযায়ী বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জমি ও অন্যান্য সম্পদের বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে। তবে, এটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কমিটির মাধ্যমে সম্পদের বাজারমূল্য নির্ধারণ একটি অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ। পাশাপাশি, দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের সহায়তায় স্থাবর সম্পদের মূল্যায়নের একটি মডেল তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই মডেলের মাধ্যমে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে সম্পদের প্রকৃত বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হবে। এটি একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এজন্য একটি প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে এই উদ্যোগ সম্পন্ন হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন