প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ওরেগনের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলার ঘটনায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে তিনজন শিশু রয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন শিক্ষকও অন্তর্ভুক্ত আছেন। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও এক শিশু এবং এক শিক্ষক।
এই হামলার ঘটনা ঘটে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেন্ড শহরের সিলভার রেল এলিমেন্টারি স্কুলে। শহরটি পোর্টল্যান্ড থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত।
বেন্ড পুলিশের প্রধান মাইক ক্রান্টজ জানিয়েছেন, নিহত তিন শিশুর বয়স পাঁচ, আট এবং ১১ বছর। আহত সাত বছর বয়সি এক শিশু এবং ৫৪ বছর বয়সি এক শিক্ষককে গুরুতর অবস্থায় বেন্ডের সেন্ট চার্লস মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারী হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে ১৬ বছর বয়সি বেন্ডের এক কিশোরকে, যে ঘটনাস্থলে মারা যায়। তবে তার পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারী তালাবদ্ধ দরজায় গুলি চালিয়ে বিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, সে আগে কখনো ওই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে কি না।
পুলিশ প্রধান ক্রান্টজের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫৯ মিনিটে জরুরি সহায়তা চেয়ে প্রথম ফোন আসে। পরবর্তী কয়েক মিনিটে জরুরি সেবাকর্মীরা আরও বহু ফোন পান।
প্রথম ফোনটি করেছিলেন একটি গাড়িতে থাকা এক ব্যক্তি, যিনি জানান, লম্বা আগ্নেয়াস্ত্র হাতে এক ব্যক্তি তাকে লক্ষ্য করে একাধিকবার গুলি চালিয়েছে।
এরপর দুপুর ১টা ১ মিনিটে বিদ্যালয়টিতে লকডাউন জারি করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা পৌঁছান।
ক্রান্টজ জানান, বিদ্যালয়ে প্রবেশ করা সন্দেহভাজন হামলাকারীকে ধাওয়া করে ভেতরে যান স্থানীয় এক ব্যক্তি। এক পর্যায়ে ওই ব্যক্তি হামলাকারীকে গুলি করেন। পরে পুলিশ সদস্যরা বিদ্যালয়ে ঢুকে হামলাকারীর মরদেহ দেখতে পান।
পুলিশ সদস্যরা পুরো বিদ্যালয় তল্লাশি করে আর কোনো হুমকি আছে কি না, তা নিশ্চিত করেন। এরপর তারা আহতদের জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে শুরু করেন।
পুলিশ প্রধান মাইক ক্রান্টজ জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় তদন্ত এখনো চলছে। ঘটনার পেছনের কারণ এবং হামলাকারীর সঙ্গে বিদ্যালয়টির কোনো পূর্বসম্পর্ক ছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন