প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জেপি মরগান মনে করছে, স্বর্ণের প্রধান প্রধান খাত থেকে চাহিদা প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল থাকতে পারে। এ কারণে ব্যাংকটি চলতি বছরের স্বর্ণের দামের পূর্বাভাস কমিয়েছে। তাদের শুদ্ধ তথ্য অনুযায়ী, তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলার এবং চতুর্থ প্রান্তিকে ৪ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
জেপি মরগান অঞ্জন জানিয়েছে, তাদের এই পূর্বাভাসের ঝুঁকি নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ গ্রীষ্মের বাকি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক তথ্য ইতিবাচক হলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ নির্ধারিত সময়ের আগেই সুদের হার বাড়াতে পারে।
এদিকে, গত ৯ জুন জেপি মরগান পূর্বাভাস দিয়েছিল, বছর শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম বেড়ে প্রতি আউন্স ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ২১ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২৩ জুনের পর সর্বোচ্চ। চলতি সপ্তাহে এখন পর্যন্ত বুলিয়ন বাজারে দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
ব্যাংকটির মতে, উচ্চ সুদের হার অলাভজনক মূল্যবান ধাতুর ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। কারণ এ সময় বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফা পাওয়া যায় এমন সম্পদের দিকে ঝুঁকে পড়েন।
তবে দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণ নিয়ে আশাবাদী অবস্থান বজায় রেখেছে জেপি মরগান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ধারাবাহিক স্বর্ণ ক্রয় এবং প্রকৃত চাহিদা শক্তিশালী থাকায় ২০২৭ সালে স্বর্ণের দাম আরও বাড়তে পারে।
রুপার বাজার নিয়েও ইতিবাচক পূর্বাভাস দিয়েছে ব্যাংকটি। তাদের মতে, বাজার গত বছরের কঠিন পরিস্থিতি থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসবে এবং স্বর্ণ-রুপার মূল্য অনুপাত স্বাভাবিক হবে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, রুপার গড় দাম প্রতি আউন্স ৬০ থেকে ৬৫ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।
প্ল্যাটিনামের ক্ষেত্রেও মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে জেপি মরগান। দক্ষিণ আফ্রিকার সরবরাহসংক্রান্ত মৌলিক কারণগুলোর সমর্থনে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্ল্যাটিনামের গড় দাম প্রতি আউন্স প্রায় ১ হাজার ৮০০ ডলার এবং ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ তা বেড়ে প্রায় ১ হাজার ৯৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
অন্যদিকে, ব্যাংকটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্যালাডিয়ামের দাম প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩৫০ ডলারে পৌঁছাবে। ২০২৭ সালে এর গড় দাম প্রতি আউন্স প্রায় ১ হাজার ৩০০ ডলার থাকতে পারে, যা মূল্যবান ধাতুর বাজারে সার্বিক দুর্বলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন