প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রকল্প পাসের পর বাস্তবায়নে বছরের পর বছর সময়ক্ষেপণ আর বরদাশত করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী দুই মাসের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) কারওয়ান বাজারে ঢাকা ওয়াসা ভবনের সম্মেলনকক্ষে ঢাকা ওয়াসার সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ওয়াসা বোর্ডগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেওয়ার কারণে সরকার আইন সংশোধন করে সারা দেশের সকল ওয়াসা থেকে বোর্ড তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান আইনে ওয়াসাগুলোতে বোর্ড রাখার বিধান থাকলেও সরকার যেকোনো সময় তা গঠন বা ভেঙে দিতে পারে। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বোর্ডগুলো জনসেবামূলক কাজে বাধা বা অনাবশ্যক হস্তক্ষেপ করছে।
ঢাকা মহানগরীতে পানির বর্তমান দৈনিক চাহিদা ও সরবরাহ ৩১৪ কোটি লিটার উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত সাত মাসে ওয়াসার কার্যক্রমে নতুন কোনো উল্লেখযোগ্য উদ্ভাবন বা গতি দেখা যায়নি। পানির তীব্র সংকট তৈরি হলে তার দায় সরকারের ওপরই বর্তায়, তাই নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের হার কমিয়ে ২০-২৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে সারফেস ওয়াটারভিত্তিক প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া দাসেরকান্দি স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা অঞ্চলের পাইপলাইন সংযোগ এবং পূর্বাচল এলাকায় পানি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী।
একই সঙ্গে শহরের অবৈধ পানির লাইন বিচ্ছিন্ন, বিলিং ব্যবস্থা অটোমেশন ও সিবিএ সংগঠনের রাজনৈতিক প্রভাব বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আগামী দুই মাস পর তিনি পুনরায় পর্যালোচনায় এসে আমূল পরিবর্তন দেখতে চান।
ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহা. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী সমিতি ও সিবিএ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন