প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাংবাদিক শহিদুল আলম মন্তব্য করেছেন যে, তিনি দেশে থাকলে সাহসের জন্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরকে জড়িয়ে ধরতেন। এই মন্তব্যটি তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রকাশ করেন।
শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা সিসি ক্যামেরাসহ স্টুডিওর সব যন্ত্রাংশ এবং রুমের যাবতীয় জিনিসপত্র লুট করে নেয় এবং অন্যান্য জিনিসপত্র ভেঙে তছনছ করে ফেলে।
ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। মুক্তাদির বলেন, ‘এই রকম কোনও স্টুডিও বাংলাদেশে ছিল না। এটা ভাঙার পরও আমি কেন ভেঙে পড়ছি না, কারণ বাংলাদেশে যারা নতুন কিছু করতে চান, তাদের জন্য নতুন কিছু শেখাতে চাই। যদি আপনি কারও তোষামোদি না করেন, আপনার যদি কোনও ব্যাকআপ না থাকে, আপনি যদি কোনও পলিটিক্স না করেন, সিকিউরিটি টাকা পয়সা দিয়ে কিনতে না পারেন, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশে এমনটাই ঘটবে। সে জন্য আমরা বলি পায়ের নিচে মাটি শক্ত না থাকলে আমাদের কিছু করা উচিত না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এভাবে কথা বলছি কারণ আমি স্ট্রেং; কিন্তু অনেকে এটা নিতে পারবে না, কারণ বেশিরভাগ মানুষ স্ট্রং না।’ সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘গত ১২ বছরে আমি একটা ছোট্ট রুম থেকে এ পর্যায়ে এসেছি। তোমরা যদি বাংলাদেশে কোনও স্বপ্ন দেখো, তাহলে তোমাদের ক্ষেত্রেও এটাই (ভাঙচুরের চিত্র দেখিয়ে) হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমার যে স্বপ্ন ছিল, তা আমি পূরণ করছি। বিএনপির যারা এটা করেছো, তোমরা এর থেকে বড় আর হতে পারবা না। এটাই তোমাদের নেচার।’
সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এই অফিসের খেটে খাওয়া মানুষগুলো কান্না করছে।’ তাদের সান্ত্বনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি এর থেকে বড় কিছু করবো। তোমরা চিন্তা করো না।’
তার ভিডিও বার্তার পর শহিদুল আলম নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘বাংলাদেশে থাকলে আমি সোজা এই স্টুডিওতে চলে যেতাম এবং এই তরুণকে তার সাহস ও সংযমের জন্য জড়িয়ে ধরতাম। শক্ত থাকো ভাই।’
শহিদুল আলম আরও লেখেন, ‘তার সাহসিকতার প্রশংসা করেই যেন বিষয়টি শেষ না হয়। আমি বিচার চাই, চাঁদাবাজির সংস্কৃতির অবসান চাই। যারা এর বিরুদ্ধে দাঁড়ান, তাদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং যারা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন