প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি আমন মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় সারের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। চাহিদামতো সার না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকেরা। নির্ধারিত মূল্যে সার পাওয়ার আশায় সকাল থেকে ডিলারের দোকানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেককে। অন্যদিকে, নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ কৃষকেরা।
কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধানের রাসায়নিক সারের ডিলার পয়েন্টগুলোতে প্রতিদিন শত শত কৃষক ভিড় করছেন। দীর্ঘ লাইন ঠেলে দোকানে পৌঁছালেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত ইউরিয়া, ডিএপি বা পটাশ সার। অধিকাংশ সময় ডিলাররা 'স্টক শেষ' বলে দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন। বাধ্য হয়ে অনেকেই খোলা বাজারে কিংবা অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়া দামে সার কিনছেন, যা তাদের উৎপাদন খরচ বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
ভুক্তভোগী এক কৃষক হতাশা প্রকাশ করে বলেন, "সকাল থেকে কাজ ফেলে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। রোদে পুড়ে শেষ পর্যন্ত সার না পেয়েই ফিরতে হচ্ছে। জমিতে ঠিকমতো সার দিতে না পারলে পুরো মৌসুমের ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে।"
স্থানীয় কৃষকদের দাবি—
অনতিব্লিমে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে সার বিতরণ ব্যবস্থা জোরদার করা।খোলা বাজারে সারের কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দাম আদায় বন্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি প্রকৃত কৃষকের কাছে সরাসরি সার পৌঁছানোর সঠিক ব্যবস্থা করা।
এ বিষয়ে কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের তড়িঘড়ি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা, যাতে সময়মতো সার প্রয়োগ করে আমন মৌসুমের সম্ভাব্য বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন