প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় ককাস গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন, যা বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করবে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই ফ্রান্স বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।" সংসদীয় কূটনীতির মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে ফ্রান্সের একটি সংসদীয় প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে স্পিকার এসব কথা বলেন। সাক্ষাতে ফরাসি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সংসদীয় ককাস ও মৈত্রী গ্রুপ গঠনের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, "ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ফ্রান্স বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক গন্তব্য।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ফ্রান্স-বাংলাদেশ সংসদীয় ককাস গঠিত হলে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো ত্বরান্বিত হবে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতে ফরাসি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ করে, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাসের কূপ অনুসন্ধান ও খননে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ফরাসি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
এ সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন স্পিকার। তিনি বলেন, "বিগত ১৫ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জনগণ গণতন্ত্রপ্রিয় এবং তারা কখনো স্বৈরাচারী শাসনের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি। দেশের মানুষ গণতন্ত্রের প্রতি তাদের শ্রদ্ধা ও অঙ্গীকার সমুন্নত রেখেছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধে ফ্রান্সের নাগরিক ও বুদ্ধিজীবী আন্দ্রে মারলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদানের কথা স্মরণ করে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
সাক্ষাৎকালে ফরাসি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা স্পিকারসহ বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধি দলকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন