প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুয়ালালামপুরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয় এবং গার্ড অব অনারও প্রদান করা হয়। স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি কুয়ালালামপুরের বুঙ্গা রায়া কমপ্লেক্সে (Bunga Raya Complex) এক্সক্লুসিভ ভিভিআইপি টার্মিনালে অবতরণ করে।
ভিভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্ম মন্ত্রী জুলকিফলি হাসান এবং তার সহধর্মিণী। প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন শিশুকন্যা মাইসা নুর আইশা, যিনি প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এসময় বাংলাদেশ হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী ও ডেপুটি হাই কমিশনার মিস সাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী এবং তার সহধর্মিণীকে প্রেজেন্ট করা হয় লালগালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার। সুসজ্জিত বাহিনীর প্রদত্ত গার্ড অব অনারের সময়ে দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।
পরবর্তীতে বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে একটি বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরের ‘শাংগ্রি লা’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়; এই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিনী এবং সফরসঙ্গীরা এই হোটেলে থাকবেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর জন্য কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও শাংগ্রি লা হোটেল পর্যন্ত ৫০ মিনিটের সড়কপথ সজ্জিত করা হয় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকায়।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় এটি তার প্রথম সফর।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনও আছেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান সরকার গঠন করার পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তাকে আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণের ভিত্তিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক এ সফর। দক্ষিণ এশিয়ায় চীন ও ভারতের পর মালয়েশিয়ার পরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য সহযোগী দেশ।
তবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে মালয়েশিয়া অনেকটাই এগিয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা জানাবেন আগামীকাল সোমবার সকালে পুত্রাজায়ায় তার কার্যালয়ে।
সেখানে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রথম একান্ত বৈঠক করবেন এবং এরপর উভয় দেশের সরকার প্রধানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দুই প্রধানমন্ত্রী পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেবেন। এই সফরে মালয়েশিয়ার সঙ্গে পর্যটন ও সংস্কৃতি বিষয়ক সহযোগিতার জন্য দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন