প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) আরও কার্যকর ও গতিশীল করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিতে মালেতে পৌঁছানোর পর দেশটির প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হওয়া সৌজন্য সাক্ষাতে উভয়েই সার্ক নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।
রবিবার (২৬ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শনিবার বিকেলে মালে পৌঁছালে বিমানবন্দরে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম তাকে স্বাগত জানান।
পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে গিয়ে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সাক্ষাৎকালে খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।
তিনি একই সঙ্গে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে তার প্রার্থিতাকে সমর্থন করায় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির আলোকে সব দেশের সঙ্গে শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
সাক্ষাতে উভয়ই বাংলাদেশ-মালদ্বীপের বিদ্যমান চমৎকার সম্পর্ক নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর পদ্ধতিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় তারা সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন।
মালদ্বীপে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী ও পেশাজীবীর কর্মসংস্থানের বিষয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেন খলিলুর রহমান। এ সময় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু মালদ্বীপের অর্থনীতিতে বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন।
সাক্ষাতে মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইহুসান এবং মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মানে প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু একটি উচ্চপর্যায়ের চা-চক্রের আয়োজন করেন। এতে মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুসেইন মোহামেদ লতিফ, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সন্ধ্যায় খলিলুর রহমান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদম আয়োজিত কূটনৈতিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে তিনি মালদ্বীপে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন