প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আবদুল্লাহ শাতাত, একজন ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী, ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই কারাগারে আটক ছিলেন। তার মুক্তির পর শারীরিক অবস্থার কারণে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আবদুল্লাহ শাতাত কারাগার থেকে বের হওয়ার পর হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তাকে ঘিরে থাকা লোকজন দ্রুত সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মুক্তির সময় শাতাতের শরীর খুবই দুর্বল এবং বিভ্রান্ত অবস্থায় ছিল। অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, তাকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয়েছে এবং খাবার পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হয়নি।
এর ফলে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। কিন্তু এই বিষয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্ট করেছে যে, ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের আটক রাখার নীতি অনুসরণ করছে। এই প্রক্রিয়াকে তারা ‘প্রশাসনিক আটক’ বলেছেন।
সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, এই নীতি একটি ‘বর্ণবৈষম্যভিত্তিক শাসনব্যবস্থা’র গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অ্যামনেস্টির তথ্যমতে, বর্তমানে ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে ৯ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি পুরুষ, নারী ও শিশু বন্দি রয়েছে। অন্যদিকে, চলতি মাসের শুরুতে আলজাজিরা একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতা, শারীরিক নির্যাতন এবং অপমানজনক আচরণের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। ওই প্রতিবেদনে নির্যাতনের শিকার লোকদের সাক্ষাৎকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে তারা কারাগারের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা করেছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের পরিস্থিতি এবং ইসরায়েলের আটক নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দ্রুত আলোচনার ঢেউ উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন