প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি নিয়ে ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেটের নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই ধরনের সিগারেট এখন থেকে মধ্যম মূল্যস্তরের নিচে বাজারে সরবরাহ করা যাবে না।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিভাগ ১৫ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, সিগারেটের সংখ্যা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্য সুস্পষ্ট, লক্ষণীয় ও অনপনীয়ভাবে মুদ্রিত থাকতে হবে।
এছাড়া, ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সংবলিত সিগারেটের নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহের ফলে ধূমপায়ীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে, যা জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এই বিবেচনায় এ ধরনের সিগারেট মধ্যম মূল্যস্তরের নিচে সরবরাহ না করার শর্ত যুক্ত করা হয়েছে।
গেজেটে সিগারেটের মূল্যস্তরও নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে নিম্ন মূল্যস্তরে প্রতি ১০ শলাকার সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব, মধ্যম মূল্যস্তরে ৯২ টাকা ও তদূর্ধ্ব, উচ্চ মূল্যস্তরে ১৬০ টাকা ও তদূর্ধ্ব এবং অতি উচ্চ মূল্যস্তরে ২১০ টাকা ও তদূর্ধ্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বিধানের ফলে ফ্লেভারিং ক্যাপসুলযুক্ত সিগারেট ৬৫ টাকা থেকে শুরু হওয়া নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহ করা যাবে না। এসব সিগারেটের ক্ষেত্রে অন্তত মধ্যম মূল্যস্তরের অর্থাৎ প্রতি ১০ শলাকার ৯২ টাকা বা তার বেশি সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রযোজ্য হবে।
এনবিআর জানিয়েছে, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২-এর ১৩৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এবং একই আইনের ৫৮ ধারার উপধারা (২)-এর সঙ্গে পঠিতব্য বিধান অনুযায়ী ৮ জুন ২০২৬ জারি করা সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনটি অধিকতর সংশোধন করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন