প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত একটি নৌকায় মার্কিন সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। এ হামলাটি বৃহস্পতিবার পরিচালিত হয় এবং এতে তিনজন নিহত হয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে লাতিন আমেরিকায় কথিত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
সর্বশেষ হামলার পর সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে, ট্রাম্প প্রশাসন যাদের ‘নারকো-টেররিস্ট’ বা মাদক-সন্ত্রাসী বলে উল্লেখ করেছে, তাদের লক্ষ্য করে চালানো মার্কিন সামরিক নৌকা হামলায় নিহতের সংখ্যা অন্তত ২১১ জনে পৌঁছেছে।
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগরে এই হামলা নিয়ে মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড জানিয়েছে, তারা কথিত মাদক পাচারকারীদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে সামরিক বাহিনী নৌকাটি মাদক বহন করছিল, এমন কোন প্রমাণ এখনও প্রকাশ করেনি।
এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে, আঘাত পাওয়ার পরে নৌকাটি আগুন ধরে যাওয়ার আগে দ্রুত গতি নিয়ে পানিতে চলছিল বলে দেখা যায়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, লাতিন আমেরিকার মাদক চক্রগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র সংঘাত চলছে। তিনি এই হামলাগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদকের প্রবাহ কমানো এবং মাদক অতিরিক্ত সেবনে মৃত্যু ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে তার প্রশাসন মাদক-সন্ত্রাসীদের হত্যার দাবির পক্ষে খুব কম প্রমাণ দিয়েছে।
সমালোচকরা এই নৌ-হামলার বৈধতা ও কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, ফেন্টানাইলসহ প্রাণঘাতী মাদকের অধিকাংশ অংশ মেক্সিকো থেকে স্থলপথে যুক্তরাষ্ট্রে আসে, যা চীন ও ভারত থেকে আসা রাসায়নিক দিয়ে প্রস্তুত করা হয়।
বৃহস্পতিবার সিনেটররা পেন্টাগনের নিকট হামলার সম্পাদনা-বিহীন ভিডিও প্রকাশের দাবি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন