প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহীর বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কমলেশ দাস নিজ কার্যালয়ে বসে টেবিলের নিচ দিয়ে ঘুষ নিয়ে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে গেছেন। এই ঘটনায় তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) তাকে থানার কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।
এর আগে, রোববার রাতে তার ঘুষ গ্রহণের ৫২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, পুলিশ কর্মকর্তা কমলেশ দাস নিজ দপ্তরে বসে অজ্ঞাত পরিচয়ের একজন ব্যক্তির কাছ থেকে একটি টাকার খাম গ্রহণ করছেন। খামটি নেওয়ার পর তিনি তা টেবিলের নিচে নিয়ে যাওয়ার সময় টাকা (যার অধিকাংশই এক হাজার টাকার নোট) বের করেন। এরপর তিনি দ্রুত নোটগুলো গণনা করে নিজের মানিব্যাগে রাখেন। এ সময় তিনি খুশির মুখে অর্থদাতার দিকে তাকিয়ে হাসিমুখে কথা বলতে থাকেন। পরে টেবিলের ওপর থাকা লাল রঙের একটি খাতারের লেখা সেই খামদাতাকে দেখান।
রোববার রাতে ‘কাজিম বাবু’ নামের এক সাংবাদিকের ফেসবুক পেজ থেকে প্রথমে ওই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ভিডিওটি দেখে মন্তব্যের ঘরে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন।
তবে, ওই পুলিশ কর্মকর্তা যার কাছ থেকে খাম গ্রহণ করেছেন, তাকে দেখা বা শনাক্ত করা যায়নি। উভয়ের মধ্যে আলাপচারিতার শব্দ বন্ধ রাখা হয়েছে।
কমলেশ দাস প্রায় তিন মাস আগে বাগমারায় পরিদর্শক (তদন্ত) হিসেবে যোগ দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, ‘কে, কখন ও কীভাবে ভিডিও করেছে, বুঝতে পারছি না ভাই, অনেকে রেশন নিয়ে এর টাকাও দেয়।’
রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর সোমবার ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে বাগমারা থানা থেকে রাজশাহী পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে। এবিষয়ে তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন