প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিরাপদ সবজি উৎপাদনে পরিবেশবান্ধব জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দুটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের এমএস শ্রেণীকক্ষে কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘ডেভেলপমেন্ট অব কমার্শিয়াল বায়োপেস্টিসাইড বেইজড অন নেটিভ এনটোমোপ্যাথোজেনিক ফাঙ্গাই (ইপিএফ) ফর সেইফ ভেজিটেবল প্রোডাকশন থ্রু একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশন’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি হিট-এটিএফের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কীটতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. কৃষ্ণা রানী দাস। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রকল্পের সাব-প্রকল্প ব্যবস্থাপক (এসপিএম) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন হাওলাদার।
জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন, কৃষির উন্নয়নে উদ্ভাবনী গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণার ফলাফল তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা কৃষকের কাছে সহজলভ্য, নির্ভুল ও ব্যয়-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি হিসেবে পৌঁছায়। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণার মানোন্নয়ন এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে উৎসাহ প্রদান করবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী প্রকল্প। দেশীয় কৃষিপণ্য ও প্রযুক্তির উন্নয়নে আরো বেশি গবেষণার প্রয়োজন। দেশীয় উপাদান ব্যবহার করে জৈব বালাইনাশক উৎপাদনে গবেষকদের এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরো বলেন, এ প্রকল্পের মাধ্যমে যদি কার্যকর কোনো জৈব বালাইনাশক উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়, যা রাসায়নিক বালাইনাশকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হবে, তবে তা দেশের কৃষিখাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও গৌরব বয়ে আনবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন