প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দোকানের বাকি টাকা চাওয়ার ঘটনার মধ্যেই স্থানীয় এক যুবক, ওবায়দুল হক লালু (৩০), গুলির শিকারে পরিণত হয়েছেন।
এটি ঘটে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জুমার নামাজের পর ক্যাম্পের সি/২ ব্লকে। লালু উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের হাকিমপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেনের সন্তান।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ক্যাম্পের সি/২ ব্লকে দোকানের বাকি টাকা চাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা লালুর সঙ্গে রোহিঙ্গা আরএসও সদস্য পরিচিত ইউনুসের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ঘটে। এই অবস্থায় ইউনুস আগ্নেয়াস্ত্র বের করে গুলি চালালে লালুর পায়ে গুলি লাগে।
আহত লালুকে স্থানীয়রা ক্যাম্প-১৪ এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী খতিজা বেগম বলেছেন, জুমার নামাজের পর ইউনুস কোমর থেকে অস্ত্র বের করে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়েছেন, যার মধ্যে একটি লালুর পায়ে লাগে।
ঘটনার পর ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এরপর অভিযুক্তরা ক্যাম্পের ভেতরে চলে যায়।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা কাঁটাতারের বাইরে এসে ইউনিয়নের এক যুবককে গুলি করে পুনরায় ক্যাম্পে ঢুকে গেছে। গুলিবিদ্ধ যুবককে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, দোকানের বাকি টাকা এবং জমি-সংক্রান্ত বিরোধের কারণে ইউনুস ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে এসে গুলি চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। এতে লালু নামে এক যুবকের পায়ে গুলি লাগে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন