প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ সকাল আনুমানিক ১০:৪৫ঘটিকায় মির্জাপুর থানাধীন মির্জাপুর নতুন বাইপাস সংলগ্ন মারকাযুল উম্মা হাফিজিয়া মাদ্রাসার (পুরুষ) নাজেরা বিভাগের ছাত্রকে উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ আল-আমীন(২৪), পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মোছাঃ আছমা বেগম, সাং-শশধর পট্টি, পোঃ কামারপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইল কর্তৃক বলাৎকারের অভিযোগ উঠে।
ভিকটিমের পিতা সৌদি প্রবাসী। গত জানুয়ারি/২০২৬ ভিকটিমের মা ভিকটিমকে মারকাযুল উম্মা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় নাজেরা বিভাগে ভর্তি করায়। গত ৩/৪মাস পূর্ব হতে ভিকটিমের পায়খানা রাস্তা দিয়ে রক্তঝরা সমস্যা দেখা দিলে ভিকটিমের মা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করায়। গত ০৮-০৯-২৬ তারিখ শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভিকটিমকে তার মা মাদ্রাসা থেকে বাসায় নিয়ে যায় এবং গতকাল ১০-০৯-২৬ তারিখ মির্জাপুর পপুলার হাসপাতালে ডাক্তার দেখালে বলাৎকারের বিষয়টি জানতে পারে। পরবর্তীতে ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ আল আমিনের কথা তার মাকে বলে দেয়।
আজ ভিকটিমের মা ভিকটিমসহ আরো কয়েকজনকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসায় আসে এবং অভিযুক্ত হাফেজ আল-আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে জানালে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভিকটিমসহ অভিযুক্ত হাফিজ আল-আমিন ও উক্ত মাদ্রাসার পরিচালককে হেফাজতে নেয়।
হাফেজ মোঃ আল-আমীন(২৪), পিতা-আব্দুল মালেক, মাতা-মোছাঃ আছমা বেগম, সাং-শশধর পট্টি, পোঃ কামারপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইল। শিক্ষক, নাজেরা বিভাগ, মাকাযুল উম্মা মাদ্রাসা ও হাফেজ মোঃ মনিরুজ্জামান (৫১), পিতা-মোঃ আব্দুল হালিম, মাতা-মৃত মনোয়ারা বেগম,
সাং-পারদিঘী, পোঃ থলপাড়া, থানা-মির্জাপুর, জেলা-টাঙ্গাইলকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
মির্জাপুর থানা পুলিশ কর্তৃক পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন