প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বৃদ্ধ মায়ের মুখে লাথি মারার অভিযোগে এক মাদরাসাশিক্ষক ছেলেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৮ জুন) উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপতার করা হয় এবং পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে পারিবারিক বিরোধের কারণে ছেলে মনিরুল ইসলাম তার মা আনোয়ারা বেগমের (৭২) মুখে লাথি মারে। এ আঘাতে তার সামনের একটি দাঁত ভেঙে যায়। পরে স্বজনরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আনোয়ারা বেগম শুক্রবার রাতে ভর্তি হয়েছেন। আঘাতের কারণে তার একটি দাঁত ভেঙে ভেতরে ঢুকে যায়। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।
এ ঘটনার পর শনিবার (২৭ জুন) আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ছেলে মনিরুল ইসলাম ও পুত্রবধূ ফেরদৌসী ইসলামের (ঝর্ণা) বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। অভিযানের ধারাবাহিকতায় রোববার মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, মনিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক। একই বাড়িতে বসবাসে সুযোগ পেয়ে তিনি ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধ মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে আসছিলেন।
শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. পিয়ার উদ্দিন জানান, মামলার পর অভিযান চালিয়ে মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহারে আনোয়ারা বেগম উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে বড় ছেলে মনিরুল ইসলাম এবং তার স্ত্রী বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মনিরুল ইসলাম তার মুখে লাথি মারলে একটি দাঁত ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন