প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি সেটেলার তথা অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার ঘটনায় যুক্তরাজ্য তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা গ্রামে ইসরাইলি সেটেলার তথা অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের হামলা ও অবরোধের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ব্রিটিশ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি উল্লেখ করেন, ঘটনাগুলোর খবর পেয়ে তিনি ‘ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন’ হয়েছেন।
ডাউটি বলেন, বেসামরিক নাগরিকদের অবশ্যই সুরক্ষা দেবার প্রয়োজন এবং হামলার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তিনি একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার জন্য একটি আহ্বান জানান।
যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইসরাইলি বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ এবং এগুলো দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুসরা গ্রামের তিনটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ইতোমধ্যে কয়েক দিন ধরে ঘেরাও করে রেখেছে ইসরাইলি সেটেলাররা। অভিযোগ রয়েছে, বাড়িগুলোতে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য ও অন্যান্য সরবরাহে বাধা দেওয়া হয়েছে।
বিবিসি জানাচ্ছে, গত বৃহস্পতিবার ওই তিনটি বাড়ির দুটির বাসিন্দাদের বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পরে তারা তৃতীয় বাড়িটিতে আশ্রয় নেন। এ ছাড়া গ্রামের অন্যান্য এলাকায় আরো ১১টি বাড়ির বাসিন্দাদেরও বাড়ি ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে কুসরার মেয়র আবদেল আজিম ওয়াদি জানিয়েছেন, গ্রামটিকে ‘অবরুদ্ধ সামরিক এলাকা’ ঘোষণা করা হয়েছে। মেয়র বলেন, ইসরাইলি বাহিনী খালি করা কয়েকটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ব্যারাক হিসেবে ব্যবহার করছে।
এসব ঘটনার ফলে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আরব দেশগুলোর পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এতে যোগ দিয়েছে। এমনকি ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবিও এর নিন্দা করেছেন। নাবলুসে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি সেটেলারদের অবরোধকে তিনি ‘ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে হাকাবি বলেন, ওই পরিবারের বাড়ির সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, সেগুলো ‘অপরাধমূলক’। তিনি বলেন, ‘পরিবারটিকে ভয় দেখানো ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে যারা এই ভয়াবহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, তাদের আচরণ ঘৃণ্য। এ ধরনের গুন্ডামির কোনো অজুহাত নেই।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন