প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : শনিবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আমদানি করা একটি বহুল ব্যবহৃত শিল্প-রাসায়নিক পণ্যের বিরুদ্ধে অ্যান্টি-ডাম্পিং তদন্ত শুরু করেছে।
এই তদন্ত শুরু হলো বেইজিংয়ে ইইউর বাণিজ্য বিষয়ক প্রধানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে।
এটি সম্পর্কে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্থানীয় শিল্পের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই তদন্তের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, ইইউ থেকে কম দামে পি-নাইট্রোটলুইন আমদানি করে চীনের বাজারে অতিরিক্ত পণ্য প্রবাহিত হচ্ছে, যা স্থানীয় উৎপাদন ও ব্যবসার ক্ষতি করছে।
পি-নাইট্রোটলুইন একটি রাসায়নিক উপাদান, যা রং, ওষুধ ও কীটনাশক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
বেইজিং ও ব্রাসেলসের মধ্যে চলমান বাণিজ্য উত্তেজনা ধীরে ধীরে একটি বড় ধরনের বাণিজ্য সংঘাতের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।
ইইউর ২৭টি দেশ চীনের বিপুল পরিমাণ রপ্তানির কারণে নিজেদের শিল্পকে রক্ষার চেষ্টা করছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, চীনা কোম্পানিগুলো ব্যাপক সরকারি ভর্তুকি পাওয়ার কারণে তারা তুলনামূলক কম দামে পণ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হচ্ছে।
তবে বেইজিং এই অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
চীন জানাচ্ছে, তার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা কেবল সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল নয়।
ইইউ চীনা কোম্পানির ওপর বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ আরোপের উদ্যোগ নিলে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে বেইজিং।
ইইউর বাণিজ্য কমিশনার মারোস সেফকোভিচ এবং চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাও আগামী বৃহস্পতিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হবেন।
দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বাণিজ্যিক ব্যবস্থা বৃদ্ধি ঠেকানো আলোচনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে।
এর আগে, সেপ্টেম্বরে চীনসহ কয়েকটি দেশ থেকে আমদানি করা পলিভিনাইল ক্লোরাইড (পিভিসি) নিয়ে তদন্ত শুরু করেছিল ইইউ।
চীনের নতুন অ্যান্টি-ডাম্পিং তদন্ত ১২ মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রয়োজন হলে তদন্তের মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, চীন বারবার ইইউকে তার নিজস্ব অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সমস্যাগুলো সরাসরি মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়েছে।
একই সঙ্গে দুই পক্ষের উদ্বেগ আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে সমাধানের ওপরও জোর দিয়েছে বেইজিং।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন