প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর জয় লাভ করেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেলকে পরাজিত করে তিনি টানা পঞ্চমবারের মতো প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে সিবিএস নিউজ তার জয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের অন্তর্ভুক্ত মিনিয়াপোলিস ও আশপাশের শহরতলি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ডেমোক্রেটিক-প্রধান নির্বাচনী এলাকা হিসেবে পরিচিত। ২০১৯ সাল থেকে ইলহান ওমর এই আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
গত আগস্টে অনুষ্ঠিত দলীয় প্রাথমিক নির্বাচনে তিনি জুলি টি লে, আবেনা ম্যাকেঞ্জি, লাটোনিয়া রিভস ও নেট শ্লুটারকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন। এর আগে মে মাসে দলের অঙ্গরাজ্য সম্মেলনে তার প্রতি সমর্থন জানানো হয়েছিল।
সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ইলহান ওমর দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী বক্তব্যের লক্ষ্যবস্তু হয়ে রয়েছেন। প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর ট্রাম্প তাকে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। বিভিন্ন সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাকে ‘আবর্জনা’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন। পাশাপাশি, তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে ইলহান ওমরকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গত মাসে ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বাসভবনে অভিযান চালান হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তদন্তকারীরা। ধারণা করা হচ্ছে, শৈশবে তার প্রয়াত বাবা অভিবাসনসংক্রান্ত যে নথিপত্র জমা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
তবে এ ঘটনাকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ওমর। তিনি বলেন, "রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করতে কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে এটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ।"
অন্যদিকে, রিপাবলিকান প্রার্থী জন নাগেল মিনেসোটা স্টেট প্যাট্রলে সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে তিনি সরকারি অর্থের অপব্যবহার রোধে কঠোর ব্যবস্থা, মেডিকেয়ার ও মেডিকেইড কর্মসূচি সুরক্ষা, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা আইন সংস্কার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পাশাপাশি, জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার বিষয়টিও তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন