প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের জনপ্রিয় র্যাপার বাদশার সঙ্গে বিচ্ছেদের জোরালো গুঞ্জনের মধ্যে অবশেষে তিনি মুখ খুলেছেন তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী ইশা রিখি। বেশ কিছুদিন ধরে এই তারকা দম্পতির সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং বিচ্ছেদ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে জল্পনা-কল্পনা চলেছে। এই পরিস্থিতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন ও রহস্যময় নোটে ইশা তার ভেতরের ভয়, দীর্ঘদিনের নীরবতা এবং সেই নীরবতা ভেঙে সাহসের সঙ্গে সত্যকে মেনে নেওয়ার কথা বলেছেন, যা তাদের সম্পর্কের সমস্যাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ না করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া সেই নোটে ইশা রিখি জানান যে, তিনি এতদিন নীরবতাকে আত্মরক্ষার উপায় হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ইশা লেখেন, এমন কিছু যুদ্ধ থাকে যা শরীরে দৃশ্যমান কোনো ক্ষতচিহ্ন রেখে যায় না। দীর্ঘদিন ধরে আমি ভয়ে নীরব ছিলাম। আমার স্বামীর প্রভাব, ক্ষমতা ও অঢেল সম্পদের যে ধারণা আমার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছিল, তাতে আমি নিজেকে অসহায় অনুভব করতাম। সেই কারণে আমি নিজেকে বুঝিয়েছিলাম যে চুপ থাকা বোধহয় নিরাপদ পথ।
নিজের সেই নীরবতার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইশা স্পষ্ট করেছেন যে, তার এই চুপ থাকাকে যেন কোনোভাবেই তার সায় বা সম্মতি বলে ভুল করা না হয়। তিনি লেখেন, আমার নীরবতা কখনোই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য ছিল না, তা ছিল কেবল টিকে থাকার জন্য লড়াই। আজ আমি ভয়ের চেয়ে সাহসকে বেছে নিচ্ছি। হতে পারে পুরো ঘটনাটি খোলামেলাভাবে তুলে ধরার জন্য আমি এখনো সম্পূর্ণ প্রস্তুত নই, কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক চলছে—এমন অভিনয় করা বন্ধ করার জন্য আমি অবশেষে প্রস্তুত।
এই বিস্ফোরক বার্তার কিছুদিন আগে ইশা নিজের সঙ্গে বাদশার কিছু ছবি ও ভিডিওর কোলাজ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন, যা দেখে নেটিজেনদের মনে প্রথম বিচ্ছেদের সন্দেহ জেগেছে। সেই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘প্রতিটি ঝড়ই এক একটি শিক্ষা, প্রতিটি প্রার্থনাই আশা।’ এই লেখার পাশে একটি হৃদয় ভাঙার এবং হাতজোড় করার ইমোজিও প্রতিস্থাপন করেছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে ইশার মা পুনম রিখি ইনস্টাগ্রামে বিয়ের কিছু ছবি শেয়ার করার পর বাদশা ও ইশা রিখির বিয়ের খবর প্রথম প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, এক সাধারণ বন্ধুর পার্টিতে তাদের প্রথম দেখা হয়, যা পরবর্তীতে বন্ধুত্ব থেকে গভীর ভালোবাসার সম্পর্কে রূপ নেয়। এটি ছিল বাদশার দ্বিতীয় বিয়ে।
অধ্যাবেশন ২০১২ সালে জেসমিন মসিহের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বাদশা। আট বছর একসঙ্গে সংসার করার পর ২০২০ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। তাদের জেসেমি গ্রেস মসিহ সিং নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে, যাকে তারা যৌথভাবে দেখাশোনা করছেন। প্রথম স্ত্রী সঙ্গে বিচ্ছেদের প্রায় ছয় বছর পর ইশাকে বিয়ে করলেও অল্প সময়ের মধ্যে তাদের এই দাম্পত্যজীবনের ভাঙন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন