প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল নগরীতে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে’ আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে অসুস্থ হয়ে জি এম মনির ওরফে মনির হোসেন (৫৫) নামে মহানগর যুবদলের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু।
নিহত জি এম মনির নগরীর ভাটিখানা জোর মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। তিনি বরিশাল মহানগর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি কাটপট্টি রোড এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন জি এম মনির। পরে সহকর্মীরা তাকে দ্রুত বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
দক্ষিণ জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় কাটপট্টি রোড এলাকায় জি এম মনির অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম শাহীন বলেন, জি এম মনির দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতা ছিলেন। তিনি বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মসূচিতেও নিয়মিত অংশ নিতেন। মঙ্গলবারও তিনি দক্ষিণ জেলা যুবদলের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে জি এম মনির স্ত্রী ও তিন সন্তান রেখে গেছেন। মঙ্গলবার রাত ৮টায় জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফন করার কথা রয়েছে।
[৮:২৩ PM, ২২/৯/২০২৬] তালাশ বিডি মিডিয়া লি:: শ্রেণিকক্ষে ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ, শিক্ষককে অব্যাহতি
মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি।
নেত্রকোনার স্বনামধন্য ও ঐতিহ্যবাহী এন আকন্দ কামিল (স্নাতকোত্তর) মাদরাসায় এক ছাত্রীর সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। মো. এহসানুল হক নামের ওই শিক্ষককে প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে আপত্তিকর অবস্থার দৃশ্য ধরা পড়ার পর তাঁকে মাদরাসা ক্যাম্পাসে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন।
মাদরাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শিক্ষক এহসানুল হক প্রায় আট বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির অনার্স শাখায় নন-এমপিও প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল বাতেন মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, গত ২০ আগস্ট শিক্ষকদের একটি সভা চলাকালে কয়েকজন শিক্ষক সিসিটিভি ক্যামেরার মনিটরে একটি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন