প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত ১৩ সেপ্টেম্বর বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী, আবেদন গ্রহণ শেষ হওয়ার পর দ্রুত ফল প্রকাশ করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও এখনও সেই বহুল প্রতীক্ষিত ফল প্রকাশিত হয়নি। এর ফলে আবেদনকারী শিক্ষকদের মনে ক্ষোভ ও দুশ্চিন্তার মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে দিন দিন।
এদিকে, কেন এই বিলম্ব ঘটছে, তা নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কথা বলেছে। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, বদলি আবেদনের পুরো প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা ও অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে টেলিটকের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন বা ‘স্ট্যাটাস’ চাওয়া হয়েছে।
টেলিটকের কাছ থেকে প্রতিবেদন পাওয়ার পর জরুরি পর্যালোচনায় বসবেন অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সার্বিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ফাইল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ সংকেত পেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে বদলির কাঙ্ক্ষিত ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে।
মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, "আমরা টেলিটকের কাছে তথ্য চেয়েছি। টেলিটকের স্ট্যাটাস না জানা পর্যন্ত বদলি নিয়ে সভা করা সম্ভব হচ্ছে না। সভার পর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।"
এদিকে, ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশ পাওয়া ১৯৫ শিক্ষককে প্রতিস্থাপন করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই পদগুলোতে বদলির জন্য আবেদন করেছিলেন বদলিপ্রত্যাশী শিক্ষকরা। তবে প্রতিস্থাপনের কারণে ওই পদগুলো পূরণ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আবেদনকারীরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশির এক কর্মকর্তা জানান, "১৯৫টি পদের বিষয়ে আমরা অবগত। আমাদের পরিকল্পনা হলো- ভুক্তভোগী প্রার্থীদের নিজ উপজেলার অন্য যে প্রতিষ্ঠানে পদ ফাঁকা রয়েছে সেখানে বদলির সুযোগ দেওয়ার। উপজেলা না হলে জেলা, জেলা না হলে পাশের জেলায় বদলির সুযোগ দেওয়া হতে পারে। সভা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন