প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. আবদুল মজিদকে ২৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ রায়টি তিনি পেয়েছেন একই সঙ্গে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও সঙ্গে। এর পাশাপাশি, তিনি যেসম্পদগুলো অর্জন করেছেন, তা হল জ্ঞাত আয়বহির্ভূত এক কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকার সম্পদ, যা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল মজিদ (৪৮) লক্ষীপুর সদর থানার কাফিলাতলি এলাকার মৃত আমিনুল হকের ছেলে এবং রামগতি বাজার শাখার রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপক ছিলেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শওকত আলী এ রায়টি ঘোষণা করেন। আদালতে রায় ঘোষণার সময় আসামি অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।
দুদক জানায়, আবদুল মজিদ রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের লক্ষ্মীপুরের রামগতি বাজার শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ২০০৭ সালের ১৪ নভেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই সময়কালে তিনি ব্যাংকের এসটিডি হিসাব নম্বর-৪-এ থাকা ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৭৯৮ টাকা, এসটিডি হিসাব নম্বর-৬-এ অবস্থিত ৪৯ লাখ ৬১ হাজার ১১৭ টাকা এবং সরকারি কর্মচারীদের পেনশন বাবদ উত্তোলন করা ১৬ লাখ ৩০ হাজার ২৩১ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি ব্যাংকিং নীতিমালা লঙ্ঘন করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মোট ৭০ লাখ ৫৭ হাজার ১৪৫ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। পরে দুদক তদন্তে তার বিরুদ্ধে সর্বমোট ১ কোটি ২৪ লাখ ১৫ হাজার ৫৪৩ টাকা আত্মসাতের প্রমাণও পায়।
নোয়াখালী দুদক পিপি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বলেন, মামলাটি তদন্ত শেষে তৎকালীন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ ও সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আজগর হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় ১০ বছর, ৪০৯ ধারায় ১০ বছর এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। পৃথক তিন ধারায় দেওয়া সাজা মিলিয়ে তার মোট ২৫ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন