প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবের কারাগারে বর্তমানে বন্দি অবস্থায় রয়েছেন ২ হাজার ৪৬১ জন বাংলাদেশি। তাদের মধ্যে ২২ জনের নামের পাশে উল্লেখ করা হয়েছে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’। তবে তাদের শাস্তির প্রকৃতি, কত বছরের কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ড, সৌদি সরকারের পাঠানো তালিকায় এ বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। এমনকি জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেটও এ ব্যাপারে কিছু জানাতে পারেনি।
এই ২২ জনের মধ্যে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তার উল্লেখযোগ্য। সম্প্রতি তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর বাংলাদেশের জনসাধারণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে। তাদের মতো আরো ২০ জনের ভাগ্য এখন অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। তাই তাদের শাস্তির বিষয়ে জানতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট।
গত ১৯ অক্টোবর, জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জেদ্দা শাখায় চিঠিটি প্রেরণ করে। বাংলাদেশি দণ্ডিত নাগরিকদের কনস্যুলার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে স্পষ্ট তথ্য চাওয়া হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৪৬১ বাংলাদেশি বন্দির একটি তালিকা পাঠিয়েছিল। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মপরিধির আওতাধীন কারাগারগুলোতে বন্দিদের মধ্যে কেউ আদালতের রায়ের সম্মুখীন হয়েছে, আবার কেউ মামলা চলমান। তালিকাটি বিশ্লেষণ করে কনস্যুলেট লক্ষ্য করে, কিছু বন্দির ‘অবস্থা’ কলামে ‘দণ্ডপ্রাপ্ত’ লেখা থাকলেও ‘রায়ের সারসংক্ষেপ’ কলামটি খালি। শাস্তির ধরন বা মেয়াদ সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
এ অবস্থায়, ১৯ অক্টোবর কনস্যুলেট সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মক্কা অঞ্চল শাখাকে (জেদ্দা) অনুরোধ জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত রায়ের সারসংক্ষেপ পাঠানোর জন্য। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, কনস্যুলার দায়িত্ব পালনের জন্য এ তথ্য প্রয়োজন। চিঠির সঙ্গে ৯ পাতার তালিকায় বন্দিদের বিবরণও সংযুক্ত করা হয়েছে। তবে চিঠিতে কতজনের কলাম খালি রয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। যদিও সংযুক্ত তালিকা গুনে দেখা গেছে, সেই সংখ্যা ২২ জন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন