প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলায় মাটির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ধোঁয়া উঠার ঘটনায় পরিদর্শন করেছিল বাপেক্সের একটি দল। কর্মকর্তাদের মতে, প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেখানে কোনো গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
সোমবার (৮ জুন) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর এ তথ্য জানিয়েছিলেন বাপেক্সের ভূতত্ত্ব ও ভূতাত্ত্বিক বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম।
স্থানীয় ও বাপেক্স সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৫ জুন) থেকে গোসাইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরের একটি অংশের মাটি স্পর্শ করলেই অস্বাভাবিক তাপ অনুভূত হতে শুরু করে। এর পর বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়, অনেকেই ঘটনাস্থলে ভিড় করতে শুরু করেন।
এ পরিস্থিতিতে শনিবার (৬ জুন) বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং তারা প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। মাটির নিচে গর্ত করে পানি ঢেলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। তবে যদি পরিস্থিতি উন্নত না হয়, তাহলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-কে জানানো হয়।
পরে সোমবার (৮ জুন) দুপুরে বাপেক্সের দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে জানায়, ওই স্থানে কোনো গ্যাসের উপস্থিতি নেই।
বাপেক্সের ভূতত্ত্ব ও ভূতাত্ত্বিক বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক ইমামুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে এসে অগ্নিশিখা পরীক্ষা-সহ বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করেছি। তবে এখানে কোনো গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক সংযোগ স্পার্ক থেকে তাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া নির্মাণকাজের রঙ বা রাসায়নিক বর্জ্য থেকেও রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন হতে পারে। পুরোনো হাসপাতাল এলাকা হওয়ায় ময়লা-আবর্জনা থেকেও এ ধরনের বিক্রিয়া ঘটতে পারে।’
তিনি আরো জানান, ঘটনাস্থলের চার ফুট গভীর থেকে মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ল্যাব পরীক্ষার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন