প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বন্ধ করা হয়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট। বুধবার রাত ১১টায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জলকপাট বন্ধ করে কর্ণফুলী নদীতে পানি নিষ্কাশনও বন্ধ করা হয়।
টানা ৫ দিন ধরে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকপাটের মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এই তথ্য জানিয়েছেন কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সূত্রে জানা যায়, অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে গেছে। কাপ্তাই হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণ এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাধের ভারসাম্য রক্ষা করতে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
গত শনিবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। এরপর টানা ৫ দিন ৯০০০ কিউসেক পানি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সাথে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের রুলকার্ভ অনুযায়ী বর্তমানে পানির স্তর ১০৩.৩১ ফুট বা এমএসএল। এটি স্বাভাবিক বলা চলে। তবে যদি ১০৯.০০ ফুট বা এমএসএল হয়, তাহলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে হ্রদের পানি। তাই হ্রদের পানির স্তর স্বাভাবিক রাখতে প্রতিবছর কিছু পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকায় প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি এমনিতে নিষ্কাশিত হচ্ছে। আর বিদ্যুৎ উৎপাদিত ২২২ মেগাওয়াট। এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন