প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘকাল ধরে পাকিস্তানের আদিয়ালা কারাগারে বন্দি রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ইমরান খান। ১৯৯২ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের শারীরিক অবস্থার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তার পরিবার।
সম্প্রতি ইমরানের সুচিকিৎসার দাবিতে অনেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার সক্রিয় হয়েছেন। এবার অস্ট্রেলিয়ার ৭ জন সাবেক অধিনায়ক ইমরানের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তারা পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডারের বন্দিজীবন নিয়ে মানবিক উদ্বেগ প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী ৭ সাবেক অধিনায়ক হলেন—অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ। তারা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন যে, ‘কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়; বরং সাবেক অধিনায়ক হিসেবে কথা বলার তাগিদ অনুভব করেই এই চিঠি লেখা হয়েছে’।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘জনাব খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে কোনো পক্ষ নিচ্ছে না এই (সাবেক অধিনায়কদের) দল। রাজনীতি যাই হোক, এটি মানবতার মৌলিক বিষয়’।
এর আগে, গত ২৩ আগস্ট, ইমরানের উন্নত চিকিৎসার জন্য পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে চিঠি লেখেন ২২ জন সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মাইকেল আথারটন, অ্যালান বোর্ডার, মাইক ব্রিয়ারলি, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, অ্যালিস্টার কুক, মাইক গ্যাটিং, সুনীল গাভাস্কার, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ডেভিড গাওয়ার, নাসের হুসেইন, ক্লাইভ লয়েড, কপিল দেব, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস, দিলীপ ভেংসরকার, স্টিভ ওয়াহ ও জন রাইট। এছাড়া, নারী ক্রিকেটের কিংবদন্তি বেলিন্ডা ক্লার্ক ও অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েলও ছিলেন।
শরিফকে লেখা চিঠির কিছুদিন পর, ইমরানের পাশে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, পাকিস্তানের কিংবদন্তি জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম, মঈন খানসহ আরও অনেকে। ৭৩ বছর বয়সী ইমরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ক্যারিবিয়ান লিজেন্ড ব্রায়ান লারা ও মাইকেল হোল্ডিংও।
খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার শেষে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ইমরান। মাঠের মতো রাজনীতিতে তিনি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেন। ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তেহরিক-ইনসাফ পার্টির নেতা। ক্ষমতা হারানোর পর দুর্নীতি ও অন্যান্য মামলায় তিনি বর্তমানে জেলে রয়েছেন। সময়ের হিসাবে তার বন্দিজীবন প্রায় সাড়ে তিন বছর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন