প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা এবং হরিণ শিকারে বাধা দেওয়ার কারণে হত্যার হুমকি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ করেছেন মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির (সুন্দরবন সুরক্ষা কমিটি) সভাপতি মো. ফারুক হাওলাদার। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় মোংলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ তুলে ধরেন।
ফারুক হাওলাদার জানান, সুন্দরবন সুরক্ষায় কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির কার্যক্রমের ফলে বন কেন্দ্রিক একটি অসাধু চক্রের অবৈধ কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলস্বরূপ, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, মোংলার জয়মনি এলাকার সোহেল শেখ এবং চিলা এলাকার গাববুনিয়ার মিলন শেখ ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ‘রাজ খান’ এবং ‘মিডিয়া সেল মোংলা’ নামক দুটি ফেসবুক আইডি/পেজের মাধ্যমে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পাশাপাশি, তাকে খুন ও জখমের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
ফারুক হাওলাদার জানান, তিনি দীর্ঘকাল ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি মৌসুমি ইলিশ মাছের ব্যবসা করেন এবং চাঁদপাই রেঞ্জের কো-ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সুন্দরবন রক্ষায় দায়িত্ব পালন করার কারণে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, খুন ও জখমের হুমকি দেওয়ার ঘটনায় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ইতিমধ্যে থানায় জিডি করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ আইনে মামলা করার প্রস্তুতিও চলছে।
সংবাদ সম্মেলনে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ মাছ শিকার ও বন্যপ্রাণী নিধন বন্ধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত সোহেল শেখ তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, এসবই প্রতিপক্ষের অপপ্রচার। অপর অভিযুক্ত মিলন শেখের মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন