প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন বলেছেন, বিরোধীদলের পতন শুরু হয়েছে, ১১ দল এখন এসে দাঁড়িয়েছে ৯ দলে।
গতকাল শনিবার তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে এক পোস্টে এ সংক্রান্ত মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ছোট ছেলে নাহিদ ইসলাম (যাকে আজকে কর্নেল অলি আহমদ ডেকেছেন), মাওলানা মামুনুল হক একত্র হয়ে রাস্তায় নামলে ১ সপ্তাহের মধ্যে নাকি বিএনপি সরকারের পতন হবে।’ আজকের এই মন্তব্য করেছেন কর্নেল অলি আহমদ। হঠাৎ তারা কেন এক হওয়ার কথা বলছেন? কারণ সবাই কি বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে? দেখেন, ঠিক আজকেই খেলাফত মজলিস জোট ছেড়ে বের হয়ে গেছে। খেলাফত আন্দোলন ছাড়ার আগে ছিল ১০ দল, এখন হলো ৯ দল। এই বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ১১ দলীয় জোট এখন ৯ দলীয় জোটে পরিণত হয়ে পড়েছে।
তিনি আরো লেখেন, ‘দেখছেন, কর্নেল অলি আহমদ আজকের বক্তব্যে তার নিজের নামটিও মুখে আনেননি! কিন্তু তিনি তো জামায়াতের আমিরের তুলনায় বড় নেতা! জানি না, বনিবনা না হলে, কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বিএনপির সাথে সম্পর্ক খারাপ করেছেন প্রত্যাশিত আসন না পেয়ে। বিএনপি বেশী আসন ছাড় না দেওয়ার মূল কারণ ছিল, ওসব আসনে এলডিপিকে ছাড় দিলে সেখানে জামায়াত জয়ী হতো।
‘আজকাল সন্দেহ হয়, জামায়াতকে অধিক আসনে জয়ী করতে কি কর্নেল অলি আহমদ ওই পলিসি গ্রহণ করেছিলেন! কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধে তার অর্জনকে বিসর্জন দিয়ে জামায়াতের সাথে গিয়েছেন। নিশ্চয়ই আপনারা মনে রেখেছেন, আওয়ামী লীগের সময় গোয়েন্দা সংস্থার প্রডাক্ট মাসুদ করিমের ফাঁদে পড়েছিলেন কর্নেল অলি আহমদ। এখন তিনি আবার বিএনপি সরকারের ১ সপ্তাহের মধ্যে পতনের হুমকি দিচ্ছেন, জানি না! তবে ইতোমধ্যে বিরোধীদলের পতন শুরু হয়ে গেছে, ১১ দল এখন ৯ দলে এসে দাঁড়িয়েছে!’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন