প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে এশার নামাজের সময় সেজদারত অবস্থায় মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫) নামে এক মুসল্লির মৃত্যু ঘটে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে উপজেলার মদনগঞ্জ এমএল ঘোষাল রোডের নূরনবী জামে মসজিদে এশার নামাজের তৃতীয় রাকাতে সেজদায় থাকার সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।
জাহাঙ্গীর হোসেন খুলনা নিউ মার্কেট এলাকার মৃত আশ্রাফ আলীর পুত্র ছিলেন। বর্তমানে তিনি বন্দরের রূপালী আবাসিক এলাকার ওয়াসা গলিতে আলিনুর মিয়ার বাড়িতে ভাড়া বসবাস করতেন। পেশায় তিনি বেঙ্গল গ্রুপের সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মসজিদ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, এশার নামাজের তৃতীয় রাকাতে সেজদায় অবস্থানকালে জাহাঙ্গীর হোসেন আর উঠতে পারেননি। নামাজ শেষে মুসল্লিরা বিষয়টি বুঝতে পেরে তার পরিচয় ও ঠিকানা জানার চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় মুসল্লি এবং মসজিদ পঞ্চায়েত কমিটির সদস্যরা অনুসন্ধান চালিয়ে তার ঠিকানা শনাক্ত করেন।
পরবর্তীতে তার আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা মসজিদে এসে মরদেহ শনাক্ত করে নিয়ে যান। এ সময় তার বেঙ্গল গ্রুপের সহকর্মী এবং রূপালী আবাসিক এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাহাঙ্গীর হোসেনের নামাজরত অবস্থায় মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয় মুসল্লি, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই তার এইভাবে মৃত্যুকে আল্লাহর বিশেষ রহমত হিসেবে উল্লেখ করে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।
মদনগঞ্জ এমএল ঘোষাল রোডের নূরনবী জামে মসজিদের ইমাম বলেন, মৃত্যুর সময় তিনি আল্লাহর ঘরে, নামাজের সেজদারত অবস্থায় ছিলেন। এমন মৃত্যু একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত ও সৌভাগ্যের নিদর্শন হতে পারে। মহান আল্লাহ মরহুমের সব গুনাহ মাফ করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন— এই দোয়া করি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন