প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের মহাসড়কগুলোতে যানজটে মানুষের জীবন যখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে, তখন এক প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির খান ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যানজট নিরসনের লক্ষ্যে যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন, তা ভুলার মতো নয়। তার নেতৃত্বে শ্রমিকদের ভাগ্যেরও আমূল পরিবর্তন ঘটেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর প্রথম যে নির্দেশটি দিয়েছিলেন, তা হলো- মহাসড়কে যানজট মুক্ত বাংলাদেশ চাই, শ্রমিকদের মুখে হাসি চাই। এই কঠিন দায়িত্বটি তিনি অর্পণ করেন তার অত্যন্ত আস্থাভাজন, পরীক্ষিত শ্রমিকবান্ধব নেতা হুমায়ুন কবির খানের উপর। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশ পাওয়ার পর থেকেই হুমায়ুন কবির খান পরিবার, ঘুম, বিশ্রাম সবকিছু ত্যাগ করে মহাসড়ককেই নিজের ঘর বানিয়ে নিয়েছেন। গত ১৫ দিন ধরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, তার নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম কাজ করছে গাজীপুর জোন- চন্দ্রা ত্রিমোড়, কোনাবাড়ী, কালিয়াকৈর বাজার, মৌচাক, বোর্ডঘর, সফিপুর, বাড়ইপাড়া, মাওনা চৌরাস্তা, গাজীপুর চৌরাস্তা। এই পয়েন্টগুলোতে আগে ৩-৪ ঘণ্টা যানজট লেগে থাকতো। হুমায়ুন খানের টিম আসার পর এখন ১০-১৫ মিনিটেই যানজট ক্লিয়ার হয়ে যাচ্ছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক জোন- আব্দুল্লাহপুর, টঙ্গী, বোর্ড বাজার, বাইপাইল, নবীনগর, চন্দ্রা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত।
ঢাকা-ময়মনসিংহ জোন- মহাখালী থেকে ময়মনসিংহ বাইপাস পর্যন্ত।
১. এই শ্রমিক নেতা মাইক হাতে নিজে ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাজ করছেন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে মাইক দিয়ে শ্রমিক ও চালকদের দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন।
২. অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ- মহাসড়কের উপর অবৈধ বাস-ট্রাক পার্কিং তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে উচ্ছেদ করছেন।
৩. উল্টোপথ বন্ধ- উল্টোপথে আসা অটো-সিএনজি-বাইক আটকে দিচ্ছেন।
৪. ফিটনেসবিহীন গাড়ি সরানো- লক্কর-ঝক্কর গাড়ি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিচ্ছেন।
৫. শ্রমিকদের কাউন্সেলিং চালকদের ট্রাফিক আইন মানা, নেশা করে গাড়ি না চালানো, নির্ধারিত গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য প্রতিদিন সকালে কাউন্সেলিং করছেন। শুধু যানজট নয়, তিনি শ্রমিকদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। সহশ্রম বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় বিএনপি হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে ৮০ লক্ষ পরিবহন শ্রমিকের ১০ দফা দাবি তুলে ধরেছেন এবং তার বেশিরভাগই বাস্তবায়িত হয়েছে। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন হিসেবে তার অবদান- শ্রমিকদের জন্য দুর্ঘটনা বীমাচালু।
নিহত শ্রমিকের পরিবারকে তাৎক্ষণিক ৫ লক্ষ টাকা অনুদান। অসুস্থ শ্রমিকদের জন্য মাসিক চিকিৎসা ভাতা। মহাসড়কে শ্রমিকদের জন্য রাত্রিকালীন বিশ্রামাগার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। মালিকদের সাথে আলোচনা করে ন্যায্য মজুরি ৩০% বৃদ্ধি। শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য শিক্ষা বৃত্তি।
কালিয়াকৈরের ট্রাক চালক জামাল উদ্দিন (৪৮) কাঁদতে কাঁদতে বলেন, "আগে এক্সিডেন্ট করলে আমাদের লাশও কেউ নিতো না। এখন হুমায়ুন ভাই আমাদের জন্য বীমা করছে, হাসপাতালে যায়, রাত ৩টায়ও ফোন ধরেন। তিনি আমাদের বাপ-মা।"
বাস চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, "হুমায়ুন ভাইয়ের কারণে এখন মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ, যানজট কম, আমরাও শান্তিতে গাড়ি চালাতে পারি।"
চন্দ্রার ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, "হুমায়ুন কবির খান যে কাজ করছেন, তা গত ২০ বছরে কেউ করেনি। তার অবদান ভুলার মতো নয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সঠিক লোককেই দায়িত্ব দিয়েছেন।"
একজন হুমায়ুন কবির খান প্রমাণ করেছেন, সৎ ইচ্ছা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মতো একজন দূরদর্শী নেতার নির্দেশনা থাকলে মহাসড়কের যানজট যেমন নিরসন সম্ভব, তেমনি কোটি শ্রমিকের ভাগ্য বদলানোও সম্ভব। গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকা ও ময়মনসিংহের লাখ লাখ মানুষ এখন তাকিয়ে আছে এই শ্রমিক নেতার দিকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন