প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিয়ামি স্টেডিয়ামে যখন লিওনেল মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে কেপ ভার্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে, তখন ফুটবল প্রেমীদের মনে উঁকি দিচ্ছে ৩৬ বছর আগের একটি ভূতুরে স্মৃতি। ১৯৯০ সালের মিলান ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের স্তব্ধ করার স্বপ্ন দেখছে আটলান্টিকের ছোট্ট দেশ কেপ ভার্ড; যেখানে ইতিহাস অনুযায়ী, আফ্রিকার দলগুলোর বিরুদ্ধে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের পা হড়কানোর ঘটনা একেবারে নতুন নয়।
১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তখনকার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফুটবল দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছিল আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুন। আজ আবার একটি অদ্ভুত মোহনায় দাঁড়িয়ে আছেন আলবিসেলেস্তেরা। টানা তিন জয়ে উড়তে থাকা লিওনেল স্কালোনির দল, যিনি শিরোপা ধরে রাখার মিশনে অপ্রতিরোধ্য গতিতে ছুটছেন, ঠিক তখনই সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র সাড়ে পাঁচ লাখ জনসংখ্যার এক 'ডেভিড', যারা গ্রুপ পর্বে স্পেন ও উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলগুলোকে রুখে দিয়ে নকআউট পর্বের টিকিট কেটেছে।
পরিসংখ্যান এবং শক্তিমত্তার দিক থেকে অপ্টার সুপারকম্পিউটার আর্জেন্টিনাকে ৮৯.৪ শতাংশের মতো এগিয়ে রাখলেও, ফুটবল তো মাত্র সংখ্যার খেলা নয়। ক্যামেরুন ম্যাচের সেই ভূত আর্জেন্টিনাকে তাড়া করছে, আর কেপ ভার্ডের কোচ বুবিস্তার নির্ভীক রণকৌশল এবং গোলরক্ষক ভোজিনহার অবিশ্বাস্য ফর্ম সেই ভূতকে বাস্তব রূপ দিতে সক্ষম হওয়ার মতো জ্বালানি যোগাচ্ছে। ৩৯ বছর বয়সী মেসি মিয়ামির পরিচিত মাঠে আরেকটি রেকর্ড ভাঙার রাতে আলবিসেলেস্তেদের হাসাবেন, না কি আফ্রিকার নতুন রূপকথা লিখে কেপ ভার্ডে ১৯৯০ সালের ক্যামেরুনের স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনবে—এ প্রশ্নের উত্তর আজ মাঠেই নির্ধারিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন