প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এক সপ্তাহের বেশি সময় পর গাজায় আবারও ইসরাইলি বাহিনী বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় অন্তত এক ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এ পর্যন্ত ইসরাইলি আক্রমণে নিহতের সংখ্যা সাড়ে ১২শ ছাড়িয়ে গেছে।
উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়ায় একটি গাড়িতে ইসরাইলি ড্রোন আঘাত হানে, যার ফলে গুরুতর আহত হন বেশ কয়েকজন। একই সঙ্গে মধ্য গাজার বুরেজ শরণার্থী শিবির এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসেও সাধারণ নাগরিকদের ওপর গ্রেনেড ও ভারী গুলি বর্ষণ করে দখলদার বাহিনী।
গত বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চালানো ইসরাইলের এসব হামলায় ১২ শ’র বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ট্রাম্পের ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে হামাসকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র না করা পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে নেতানিয়াহুর অস্বীকৃতি জানানোর বিরোধিতা করেছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিষয়টি কোনো একক ইসরাইলি নেতার ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না। এদিকে আন্তর্জাতিক চাপের মুখেও গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
অধিকৃত পশ্চিম তীরেও অব্যাহত রয়েছে দখলদারদের আগ্রাসন। সম্প্রতি সেখানে সামরিক অভিযান চালিয়ে দুই শিশুসহ অন্তত ২৩ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরাইলি বাহিনী। একই সঙ্গে একের পর এক আবাসিক ভবন ও বাণিজ্যিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিয়ে শত শত পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করা হচ্ছে। এ অবস্থা সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম তীর ধ্বংসের শেষ সীমায় দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন