প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পর্তুগালে জনসমিক্ষে ‘মুখ ঢেকে রাখার’ পোশাক নিষিদ্ধ করে নতুন আইন কার্যকর হয়েছে। এই আইনটি বোরকা ও নিকাব পরা মুসলিম নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়ায়, দেশটিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
দেশটির নতুন আইন অনুযায়ী, জনসমক্ষে পরিচয় গোপন বা শনাক্তে বাধা দেয়—এমন পোশাক পরলে ১৫০ থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই ক্ষেত্রে কিছু জায়গায় মুখঢাকার অনুমতির বিষয়টিও রয়েছে, যেমন স্বাস্থ্য, পেশা, শিল্পকলা, আবহাওয়া এবং ধর্মীয় উপাসনালয়।
আইনের পক্ষের ব্যক্তিরা দাবি করেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনের সময় ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার সুবিধার জন্য এই বিধান অত্যন্ত জরুরি। অন্যদিকে, মানবাধিকারকর্মীরা এর বিরোধিতা করে নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছেন, বলছেন, এমন নিষেধাজ্ঞা ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং নারীদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরার অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে।
এদিকে, স্পেনের বালিয়ারিক দ্বীপপুঞ্জেও বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব এগোচ্ছে। দেশের ডানপন্থী দল ভক্স ও পিপলস পার্টি প্রথম এ প্রস্তাবটি সামনে এনেছে। ওই প্রস্তাবে পুনরাবৃত্তি করে আইন ভাঙলে ৩০ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা এবং কাউকে জোর করে এসব পোশাক পরালে সর্বোচ্চ চার বছরের কারাদণ্ডের বিধানের কথা বলা হয়েছে।
ফলস্বরূপ, ইউরোপে বোরকা-নিকাব নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার—এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন