প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টালিউডের অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যিনি তার ব্যক্তিগত জীবনকে সবার চোখের আড়ালে রেখেছিলেন, তিনি এখন কলকাতার এক মহাপুরুষের মন জয় করেছেন। এই খবরটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
নেটপাড়ায় জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে— কে সেই পাত্র? কিছু মানুষের মতে, তিনি ভারতীয় নৌসেনার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তবে প্রকৃত তথ্য ভিন্ন। তিনি নৌসেনার জওয়ান কিংবা অফিসার নন, বরং পেশায় একজন আন্তর্জাতিক স্তরের সফল মেরিন ইঞ্জিনিয়ার, যার নাম সিদ্ধার্থ।
তিনি কলকাতার একটি প্রখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘কলকাটা বয়েজ স্কুল’ থেকে পড়াশোনা করেছেন। এরপর নৌ-প্রকৌশল বা মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে আন্তর্জাতিক মার্চেন্ট নেভি দুনিয়ায় প্রবেশ করেন। ২০০৮ সালের মার্চ মাস থেকে তিনি যুক্তরাজ্যের একটি নামকরা আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থা 'Shell Ship Management Limited'-এর সঙ্গে কাজ করছেন।
শিক্ষানবিস হিসেবে তার ক্যারিয়ার শুরু হলেও, দীর্ঘ বছরের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে আজ তিনি সেই বহুজাতিক সংস্থার দায়িত্বশীল সিনিয়র মেরিন ইঞ্জিনিয়ার। বিশাল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ইঞ্জিন রুম সামলানো এবং সমুদ্রে ভেসে বেড়ানোই তার পেশা।
মিমি চক্রবর্তীর বিয়ের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে তুঙ্গে পৌঁছেছে। নিকটাত্মীয় ও বন্ধুদের কাছে খবর পৌঁছেছে। আগামী নভেম্বর মাসে আইনি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করবেন মিমি ও সিদ্ধার্থ। এরপর ডিসেম্বর মাসে পাহাড়ি শহর কালিম্পংয়ে তাদের চোখধাঁধানো ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’-এর আয়োজন হবে।
মিমি এতদিন কাজ এবং পোষ্যদের নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, কিন্তু এখন সিদ্ধার্থের সঙ্গে তার জীবনে নতুন বসন্ত এসেছে। সমুদ্র ও জাহাজ সামলানো সিদ্ধার্থের সঙ্গে টালিউড কুইনের এই রূপকথার বাঁধন দেখতে তার ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
বিনোদন জগতের উজ্জ্বল পরিবেশের থেকে সিদ্ধার্থের জীবন সম্পূর্ণ ভিন্ন। যদিও তিনি সরাসরি রুপালি পর্দার সঙ্গে যুক্ত নন, তবুও টালিপাড়ার বেশ কয়েকজন তারকা বন্ধুর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল।
বিশেষ করে গত বছরের দুর্গাপূজার আড্ডায় মিমি চক্রবর্তীর সঙ্গে হাসিমুখে দেখা গিয়েছিল সিদ্ধার্থকে। অনুরাগী ও মিডিয়ার নজর এড়িয়ে এতদিন বিষয়টি গোপন থাকলেও সম্প্রতি তাদের সম্পর্কের রসায়ন প্রকাশ্যে এসেছে।
তবে অবাক করার বিষয় হলো, মিমি চক্রবর্তী এখনও সিদ্ধার্থকে ইনস্টাগ্রামে ফলো করেননি। অন্তত তার ভ্যারিফায়েড প্রোফাইল থেকে এটি স্পষ্ট যে, তিনি এখনও সেই বন্দোবস্ত করেননি!
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন