প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হাইকোর্ট সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছে।
রাজধানীর শেরেবাংলানগর থানার মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ মামলায় জামিন আবেদনের শুনানির পর, বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার (২৮ জুন) এ রুল দেন।
রুলে জানানো হয়েছে, কেন তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না।
যখন অধস্তন আদালতে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়, তখন গত মাসে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন হাবিবুল আউয়াল। তাঁর আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহদীন মালিক, এস এম শাহজাহান ও সারা হোসেন। এছাড়া আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম সৌরভও ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষে, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ছফওয়ান শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম।
বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান ২০২৫ সালের ২২ জুন মামলাটি করেন। মামলায় সাবেক ৩ সিইসিসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কে এম নূরুল হুদা এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বছর ২৫ জুন, হাবিবুল আউয়ালকে রাজধানীর মগবাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশ কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে, তাঁকে হেফাজতে নিয়ে তিন দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় আদালত। শেরেবাংলানগর থানায় মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, জাবেদ পাটোয়ারী এবং এ কে এম শহীদুল হকসহ অনেকে রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন