প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের পর, এবার তথাকথিত বাংলাদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে প্রায় ৩০০ জনকে পুশ-ইনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে কাশ্মীর উপত্যকা ও জম্মু অঞ্চলে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের’ বিরুদ্ধে কড়াকড়ি জোরদার করা হয়েছে। বিবিসি নিউজ উর্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি জানায় যে, বাংলাদেশ থেকে আগত প্রায় ৬০০ জন তথাকথিত অবৈধ অভিবাসী কয়েক বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন।
কর্মকর্তাদের দাবি, এসব ব্যক্তি বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছেন। ইতোমধ্যেই প্রায় ৩০০ জনকে দুটি পৃথক দলে ভাগ করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, যা তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ।
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি ও স্থানীয় প্রশাসন অভিযোগ করছে যে, অননুমোদিত অভিবাসীদের উপস্থিতি স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবিকার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এ ছাড়া নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকির কথাও উল্লেখ করেছে প্রশাসন।
অন্যদিকে, মানবাধিকারকর্মীরা এই ধরনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। সাংবাদিক ও বিশ্লেষক হারুন রেশি জানান, আন্তর্জাতিক আইনের ‘নন-রিফাউলমেন্ট’ নীতি অনুযায়ী কাউকেই এমন দেশে ফেরত পাঠানো উচিত নয় যেখানে তার জীবন বা স্বাধীনতা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ভারতের সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময় দেশটির সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের অধীনে বিদেশিদের মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার ওপর জোর দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন