প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাইজেরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, বন্দুকধারীদের হাতে অপহৃত এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা জেনারেল বন্দিদশায় মারা গেছেন।
মেজর জেনারেল রাবে আবুবাকার ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সামরিক মুখপাত্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক পদে কর্মরত ছিলেন। গত মাসে কাটসিনা রাজ্যে ভ্রমণের সময়, তার স্ত্রীসহ তিনি অপহৃত হন। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই অপহরণের দায় স্বীকার করেনি।
আবুবাকারের অপহরণ ও মৃত্যু নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় চলমান নিরাপত্তা সংকটের চিত্র তুলে ধরে। সেখানে স্থানীয়ভাবে ‘দস্যু’ নামে পরিচিত অপরাধী চক্রগুলো প্রায়ই মুক্তিপণের জন্য অপহরণ, গবাদি পশু চুরি এবং গ্রামীণ জনপদে হামলা চালায়। এই অঞ্চলে কিছু জিহাদি গোষ্ঠীও সক্রিয় রয়েছে। কাটসিনা রাজ্য এই সহিংসতার জন্য অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্য।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়, গত ৩০ মে অবসরপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা একটি বিয়েতে যাচ্ছিলেন। সেসময় সশস্ত্র ব্যক্তিরা তার গাড়িতে হামলা চালিয়ে তাকে, তার স্ত্রী এবং তাদের চালককে আটক করে।
তার মৃত্যুর খবর প্রকাশের কয়েকদিন আগে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি ভিডিওতে আবুবাকারকে বন্দিদশায় দেখা যায়। ভিডিওটি দেখলে বোঝা যায়, তিনি তার স্ত্রী এবং অন্যান্য জিম্মিদের সঙ্গে ছিলেন। তার বাম পায়ে স্পষ্ট আঘাতের চিহ্নও দেখা যাচ্ছিল।
সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বন্দিদের মুক্ত করার জন্য প্রচেষ্টা চলছে, সেই কারণে অপহরণের বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর চলমান উদ্ধার অভিযানকে গুরুত্ব দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।
তারা আবুবাকারের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সম্পদ ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়েছে।’ আবুবাকারের স্ত্রীর অবস্থান ও অবস্থা সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র এটি জানিয়েছেন, ‘অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার এবং আমাদের জাতিকে হুমকিদানকারী সকল সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ককে নির্মূল করতে চলমান অভিযান আরো জোরদার করা হয়েছে।’
সেনাবাহিনী মেজর জেনারেলের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সেনাবাহিনী এই ক্ষতিটিকে দুঃখজনক বলে বর্ণনা করেছে এবং তার পরিবার ও সাবেক সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছে। এক বিবৃতিতে তারা উল্লেখ করেছে, ‘তিনি বিদ্রোহ দমন অভিযানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। কর্তব্যের প্রতি নিষ্ঠা এবং নাইজেরিয়ার ঐক্য রক্ষায় তার অঙ্গীকার সবার জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন