প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুর মহানগরের ইটাহাটা এলাকায় একটি বাসের চাপায় নিহত হয়েছেন মরিয়ম বেগম (৫০) নামে এক নারী পোশাক শ্রমিক। এই ঘটনার পর নিহতের সহকর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
বিক্ষোভের সময় তারা তাকওয়া পরিবহন নামের একটি মিনিবাসে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আধ ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।
সোমবার দুপুর সোয়া একটার দিকে গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ইটাহাটা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মরিয়ম আক্তার ঢাকার আশুলিয়া এলাকার ওসমান আলীর মেয়ে এবং তিনি স্থানীয় সোয়েটার কারখানার শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মরিয়ম কারখানায় যাওয়ার পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় তাকওয়া পরিবহনের একটি বাস তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
মরিয়মের মৃত্যুর খবর কারখানায় পৌঁছানোর পর সহকর্মী শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তাকওয়া পরিবহনের অন্য একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়, যার ফলে বাসটির ভেতরের অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধ ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনার কারণে ওই মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর দুপুর আড়াইটার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, "তাকওয়া পরিবহনের বাসের চাপায় এক নারী পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।" তিনি আরও জানান, নিহতের সহকর্মীরা প্রতিবাদে একটি বাসে আগুন দেন। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন