প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জাতীয় সংসদে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে, তবে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। আইনের চোখে সবাই সমান।
আজ রোববার অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে হাসনাত আবদুল্লাহর উত্থাপিত প্রশ্ন ছিল, ‘হাসিনার পক্ষের মিডিয়াগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা’। এর জবাবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী সরকারী এই দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
সংসদে তিনি তার বক্তব্যে স্থিরতা প্রকাশ করেন যে, যারা গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার বিপক্ষে কাজ করবে, যারা গণতন্ত্র ধূলিসাৎ করবে এবং যেকোনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত হবে, সে যেনো কেউ হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশে আইন শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ রয়েছে। অপরাধ বা অন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত থাকলে কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।
তিনি ইয়াসের খান চৌধুরী হিসেবে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান বিএনপি সরকার গণমাধ্যমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণরূপে বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ অথবা চাকুরিজীবী, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা থাকলে সবার ক্ষেত্রে আইন নিজের গতিতে চলবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও আশ্বস্ত করেন, জনবিরোধী কাজ বা প্রচারণায় লিপ্ত গণমাধ্যম ও ব্যক্তিদের কার্যক্রম খতিয়ে দেখে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, কিন্তু যারা দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ড বা অপপ্রচার চালাবে, তাদের জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসা হবে।
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি খাতে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং আইনের শাসন বজায় রাখার জন্য সরকারি প্রক্রিয়া ও আইনি পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন